Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ম্যাকাউটে দুর্নীতির অভিযোগ, হলফনামা তলব হাইকোর্টের

মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ম্যাকাউট) আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এনিয়ে দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা।

ম্যাকাউটে দুর্নীতির অভিযোগ,  হলফনামা তলব হাইকোর্টের
  • ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ম্যাকাউট) আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এনিয়ে দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। ওই ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে হলফনামা আকারে রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। 

Advertisement

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছিল, সরকারি তহবিলের ৮৩৭ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। তার মধ্যে অন্যত্র সরবরাহ করা হয়েছে ৩৪২ কোটি হিসাববহির্ভূত টাকা। ১২৮ কোটি টাকা খরচের কোন শংসাপত্র জমা দেওয়া হয়নি। ৫৭ কোটি টাকা ভুয়ো ও নকল নথির মাধ্যমে খরচ করা হয়েছে। মামলায় অভিযোগ, কাজ শেষ না করেই প্রদান করা হয়েছে ২১৪ কোটি টাকা। এছাড়া ১৫০ জন কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে তপশিলি জাতি ও উপজাতি সংরক্ষণ না মেনে স্বজনপোষণ ও ব্যাপক আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে মামলায়। এছাড়া রয়েছে টেন্ডার দেওয়াসহ আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে একাধিক অস্বচ্ছতার অভিযোগ। আবেদনকারীর দাবি, সরকারি তহবিলের অপব্যবহার করা হয়েছে। সিএজি রিপোর্টেই এই অর্থিক গরমিলের উল্লেখ রয়েছে। শুক্রবার এহেন অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি স্মিতা দাস দে-র ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, আবেদনকারীর এই অভিযোগের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষসহ মামলার সঙ্গে সংযুক্ত সকল পক্ষকে হলফনামা জমা দিয়েই তাঁদের বক্তব্য জানাতে হবে। পূজাবকাশের পর এই মামলার শুনানি। হাইকোর্টের এই নির্দেশের পর, এআইডিএসও-র রাজ্য সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় বলেন, রাজ্য কমিটির পক্ষ থেকে এই ঘটনার দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। একইসঙ্গে আমরা দাবি করছি, জনগণের কোটি কোটি টাকা নিয়ে যারা দুর্নীতি করেছে তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
এই প্রসঙ্গে ম্যাকাউটের অন্তর্বর্তী উপাচার্য তাপস চক্রবর্তী বলেন, ‘যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে, সেইসময়ে আমি দায়িত্বে ছিলাম না। আমাদের কাছে ক্যাগ রিপোর্ট রয়েছে। তাতে দুর্নীতির চেয়ে অনিয়মের অভিযোগই বিশেষভাবে পেয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের এগজিকিউটিভ কাউন্সিলে (ইসি) সেই রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তবে, ২০২২ সাল থেকেই এখানে ইসি সক্রিয় নেই। স্থায়ী উপাচার্য না-থাকায় তা গঠনের উপায়ও নেই। মামলা হয়েছে, এক্ষেত্রে তাই আধিকারিক এবং আইনজীবীদের পরামর্শ নিয়ে রিপোর্ট এবং উত্তর তৈরি করা হবে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ