Bartaman Logo
৩০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হাইকোর্টের নির্দেশ কার্যকর, গড়িয়া কামডহরির অবৈধ ক্লক টাওয়ার ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল পুরসভা

এবার প্রাক্তন ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের উদ্বোধন করা ‘ক্লক টাওয়ার’ ভাঙল কলকাতা পুরসভা। গড়িয়ার কামডহরি মিতালি সংঘের মাঠে তৈরি হওয়া এই ক্লক টাওয়ার বৃহস্পতিবার ভেঙে ফেলা হয়েছে।

হাইকোর্টের নির্দেশ কার্যকর, গড়িয়া কামডহরির অবৈধ ক্লক টাওয়ার ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল পুরসভা
  • ১৫ মে, ২০২৬ ১৪:০৫
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এবার প্রাক্তন ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের উদ্বোধন করা ‘ক্লক টাওয়ার’ ভাঙল কলকাতা পুরসভা। গড়িয়ার কামডহরি মিতালি সংঘের মাঠে তৈরি হওয়া এই ক্লক টাওয়ার বৃহস্পতিবার ভেঙে ফেলা হয়েছে। এর আগেই ক্লক টাওয়ারটিকে বেআইনি চিহ্নিত করে ভাঙার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু এতদিন ধরে তা কার্যকর করা যায়নি। এবার পালাবদলের পর রাজ্য সরকারের নির্দেশে বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে সক্রিয় পুর কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে, তপসিয়া অঞ্চলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একাধিক অবৈধ নির্মাণ প্রকাশ্যে এসেছে। বুধবারই সেই বেআইনি নির্মাণ ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সেই কাজ আরও গতি পেয়েছে। জি জে খান রোডের বেআইনি বহুতলের পাশের অন্য আরও একটি অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজে হাত লাগানো হয়েছে। এদিন ঘটনাস্থলে ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি পৌঁছলে সেখানে উত্তেজনা দেখা দেয়।  কীসের ভিত্তিতে এই বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী রাজনৈতিক মহল। এদিন নওশাদ বেরিয়ে যাওয়ার পর সেখানে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ শুরু করলে, মৃদু লাঠিচার্জ করতে হয় পুলিশকে।

Advertisement

এদিন, ২০২৩ সালে গড়িয়া কামডহরির ওই ক্লক টাওয়ার তৈরির সময় বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি মিতালি সংঘ কর্তৃপক্ষের। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং কলকাতা পুরসভার ১১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সন্দীপ দাসের বিরুদ্ধে তাঁদের ক্ষোভ-অভিযোগ। মিতালি সংঘের কোষাধ্যক্ষ অসীম মুখোপাধ্যায় বলেন, এটা আমাদের মাঠ। সেখানে কোনো অনুমোদন ছাড়া বেআইনিভাবে এই ক্লক টাওয়ার বানানো হয়েছে। আমরা আদালতে মামলা করেছিলাম। গত বছর জুন মাসে আদালতের নির্দেশে পুরসভা ক্লক টাওয়ার ভাঙতে এলেও, সেই কাজ করতে পারেনি। পাশের ক্লাব কামডহরি পূর্বপাড়া রিক্রিয়েশন ক্লাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ মিতালি সংঘের। অসীমবাবুর অভিযোগ, রিক্রিয়েশন ক্লাব তখন ভাঙতে বাধা দিয়েছিল যার ফলে পুরসভাকে ফিরে যেতে হয়।
যদিও পাল্টা অভিযোগ রিক্রিয়েশন ক্লাবের। অভিযোগ অস্বীকার করে কামডহরি পূর্বপাড়া রিক্রিয়েশন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দাস বলেন, এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। পুজোর আগে এই কাজ করতে এসেছিল পুরসভা। তার আগে থেকে আমাদের ওখানে একটি অনুষ্ঠানের অনুমতি নেওয়া ছিল। আমরা শুধু বলেছিলাম, আমাদের অনুষ্ঠান শেষ হলে সেটা করা হোক। কিন্তু, এই আইনি নির্দেশ বাস্তবায়নে কোনো বাধা নেই। তবে এই মাঠ মিতালি সংঘের নয় বলে দাবি পূর্বপাড়া ক্লাবের। পাশাপাশি তাদের অভিযোগ, যখন এই টাওয়ার তৈরি হচ্ছিল তখন কেন মিতালী সংঘ পদক্ষেপ নেয়নি, পুরসভাকে অভিযোগ জানায়নি, প্রশ্ন তুলেছেন সঞ্জীববাবু। যদিও আদালতের নির্দেশে খেলার মাঠটি তাদেরই নিয়ন্ত্রণে,  দাবি মিতালি সংঘ কর্তৃপক্ষের।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ