নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ও সংবাদদাতা, বজবজ: মহেশতলা পুরসভায় ৭১ বছর ধরে চলা একটি দুর্গাপুজোর অনুমতি না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মামলা দায়ের হয়েছিল হাইকোর্টে। শর্তসাপেক্ষে সেই পুজোর অনুমতি দিল আদালত।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ও সংবাদদাতা, বজবজ: মহেশতলা পুরসভায় ৭১ বছর ধরে চলা একটি দুর্গাপুজোর অনুমতি না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মামলা দায়ের হয়েছিল হাইকোর্টে। শর্তসাপেক্ষে সেই পুজোর অনুমতি দিল আদালত।
মামলাকারী পুজো কমিটি তথা কল্যাণ সমিতির অভিযোগ, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে ক্লাব সংলগ্ন একটি পার্কের খোলা জায়গায় দীর্ঘ সময় ধরে তারা পুজোর আয়োজন করে আসছে। ক্লাব কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, পুলিস মৌখিকভাবে সেই পুজোর অনুমতি দিলেও বাদ সাধছে পুরসভা। ওই পার্ককে কেন্দ্র করে হাইকোর্টেই অন্য একটি জনস্বার্থ মামলা বকেয়া থাকায় পুজোর অনুমতি দিচ্ছে না পুরসভা।
বুধবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে মামলার শুনানিতে যাবতীয় অভিযোগ তুলে ধরেন ক্লাব কর্তৃপক্ষের আইনজীবী। কিন্তু ঘটনা হল, ওই পার্কটিতে একটি কমিউনিটি হল তৈরি করতে চায় পুরসভা। যার বিরোধিতায় জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে হাইকোর্টে। আগামী ৮ তারিখ সেই মামলার শুনানি রয়েছে। ওই মামলার শুনানি না হওয়া পর্যন্ত পুজো আয়োজনের অনুমতি দেওয়ার বিরোধিতা করা হয়। কিন্তু সবপক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি সিনহা নির্দেশে জানিয়ে দেন, যেহেতু দুর্গাপুজোর আর বেশি দিন বাকি নেই। তাই ক্লাব কর্তৃপক্ষকে ওখানে অস্থায়ী প্যান্ডেল নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। তবে পুজোর ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে জনস্বার্থ মামলার ভবিষ্যতের উপর।
আদালতের এই নির্দেশের পর পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল সদস্য তাপস হালদার বলেন, জমিটি সরকারি উদ্বাস্ত পুনর্বাসন দপ্তরের। ওখানে কোনও কমিউনিটি হল নেই। তাই এমন পরিকল্পনা করেছিলেন চেয়ারম্যান। আদালতের রায় দেখে পরবর্তী ধাপে পুরসভা দরকার হলে সুপ্রিম কোর্টে যাবে। এটা পুর চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে, কল্যাণ সমিতির এক সিনিয়র সদস্য কেষ্ট পাল চৌধুরী বলেন, কলোনি পত্তনের সময় থেকে এই জমিতে দুর্গা ও কালীপুজো, যাত্রা হয়ে আসছে। আমরা চাইছি পুজো যেমন হচ্ছে তেমনি হোক।