Bartaman Logo
২৭ আগস্ট, ২০২৬

যোগী সরকারের গড়িমসিতে অসন্তুষ্ট হাইকোর্ট, হাতরাস: নির্যাতিতার পরিবারের পুনর্বাসন নিয়ে কড়া নির্দেশ

হাতরাস গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় নির্যাতিতার পরিবারকে তিন মাসের মধ্যে গাজিয়াবাদ বা নয়ডায় পুনর্বাসনের নির্দেশ দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট।

যোগী সরকারের গড়িমসিতে অসন্তুষ্ট হাইকোর্ট, হাতরাস: নির্যাতিতার পরিবারের পুনর্বাসন নিয়ে কড়া নির্দেশ
  • ২৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

লখনউ: হাতরাস গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় নির্যাতিতার পরিবারকে তিন মাসের মধ্যে গাজিয়াবাদ বা নয়ডায় পুনর্বাসনের নির্দেশ দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। এই নিয়ে উত্তরপ্রদেশ সরকার গড়িমসি করায় তীব্র অসন্তোষও প্রকাশ করেছে আদালত। বিচারপতি রাজন রায় ও বিচারপতি যশপ্রীত সিংয়ের ডিভিশন বেঞ্জ জানিয়েছে, এর আগেও নির্যাতিতার পরিবারকে গাজিয়াবাদ বা নয়ডায় পুনর্বাসনের বিষয়টি বিবেচনা করার নির্দেশ দিয়েছিল, কিন্তু সরকার সেই অনুরোধকে যথাযথ গুরুত্ব 

Advertisement

দেয়নি। এর বদলে প্রশাসন ওই পরিবারকে কাসগঞ্জ, এটাহ বা আলিগড়ের মধ্যে কোনো একটি জায়গা বেছে নিতে বলে। আইনের চোখে এটি আদেশের যথাযথ পালন হিসাবে গণ্য হবে না। হাইকোর্টের বক্তব্য, ‘বিষয়টি বিবেচনা করার ক্ষেত্রে সরকারের 
তরফে এক ধরনের অপ্রয়োজনীয় বিরোধিতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নির্যাতিতার পরিবার অভিযোগ করেছিল যে সরকার আইনি প্রক্রিয়াকে প্রতিপক্ষ হিসাবে দেখছে। সরকারের আচরণ সেই দাবিকেই জোরালো করছে।’
নির্যাতিতার পরিবারের তরফে আইনজীবী মেহমুদ প্রচা আদালতে জানান যে, কাসগঞ্জ, এটাহ বা আলিগড়—এই তিনটি এলাকাই হাতরাসের খুব কাছে। ফলে সেখানে ওই পরিবারকে পুনর্বাসন দেওয়া হলে তাঁদের প্রাণসংশয়ের ঝুঁকি রয়েছে। ওই এলাকায় তাঁদের কোনো আত্মীয়ও নেই। উলটোদিকে, নির্যাতিতার একাধিক আত্মীয় গাজিয়াবাদ ও নয়ডায় বসবাস করেন। ফলে সেখানে নির্যাতিতার পরিবার ভয়হীন সাধারণ জীবনযাপন করতে পারবেন। আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছে, পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষ হলেই পরিবারের একজনকে চাকরিও দিতে হবে। ডিভিশন বেঞ্চ এদিন জানিয়েছে, নির্দেশ মেনে কাজ হল কি না, তা নিয়ে অতিরিক্ত মুখ্য সচিব (স্বরাষ্ট্র)-কে হলফনামা দাখিল করতে হবে। সেই নির্দেশ পালন না করলে তাঁকে ৩০ নভেম্বর সশরীরে আদালতে হাজির হতে হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ