সংবাদদাতা, কালনা: তিনদিন ধরে কালনা সুপার স্পেশালিটি ও মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা পরিদর্শন করলেনকেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অধীনস্ত সংস্থা এনকিউএএস-এর দুই সদস্যের দল। প্রাথমিক ভাবে তাঁরা কিছু না বললেও হাসপাতালের কয়েকটি দিকের উন্নতির পরামর্শ দেন। ২০২২ সালেও হাসপাতালে এনকিউএএস এই হাসপাতলে পরিদর্শন করেছিল। তাতে পরিষেবার উন্নতির জন্য কেন্দ্রীয় ভাবে ৩৭ লক্ষ টাকা পায় হাসপাতালটি। এবারও হাসপাতালের পরিষেবার ক্ষেত্রে ভালো মার্কস পাবেন বলে কর্তৃপক্ষের দাবি।
সোমবার এনকিউএএস-এর দুই সদস্য বিকাশরঞ্জন দত্ত ও অখিলেশ কুমার রানা কালনা সুপার স্পেশালিটি ও মহকুমা হাসপাতালে আসেন। তাঁরা তিনদিন ধরে হাসপাতালের প্রসূতি, মেডিসিন, শিশু, ওটি, লেবার রুম, প্যাথলজি ল্যাব সহ ১২টি বিভাগ ঘুরে দেখেন। হাসপাতালের পরিষেরার মান কেমন তার খোঁজ নেওয়াই এই পরিদর্শনের উদ্দেশ্য ছিল। সেই লক্ষ্যে তাঁরা কথা বলেন স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও রোগীর পরিবারের সঙ্গে। রোগীদের কাছ থেকে খোঁজ নেন, হাসপাতালে চিকিৎসায় কত খরচ হয়? খাবারের মান কেমন? চিকিৎসকরা কেমন পরিষেবা দেন? বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্যান্য পরিষেবা নিয়ে রোগী ও রোগীর পরিজনেরা তেমন কিছু না বললেও ওয়ার্ডে চিকিৎসকরা ভিজিটে নিদিষ্ট সময়ে হাজির থাকেন না বলে অভিযোগ তোলেন। যদিও পরিদর্শনকারী দুই সদস্য সংবাদ মাধ্যমের কাছে কিছু বলতে চাননি।
হাসপাতাল সহকারী সুপার সামিম মল্লিক বলেন, কয়েক বছর অন্তর এনকিউএএস (ন্যাশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স স্ট্যান্ডার্ড) হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা পরিদর্শন করে। ২০২২ সালেও হয়েছে। সেই সময় আমাদের পরিষেবায় সন্তুষ্ট হওয়ায় হাসপাতালের উন্নয়নে ৩৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়। যা আমরা চিকিৎসা পরিকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় করতে পেরেছি। এবারও ভিজিট হয়েছে। দুই হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবায় তাঁরা সন্তুষ্ট হয়েছেন বলে মনে হয়েছে। কয়েকটি বিষয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। আমরা তা মেনে চলব।