নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে বিধানসভার অধিবেশন। এই উপলক্ষ্যে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে শুক্রবার বিধানসভায় কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক হয়। ছিলেন উপাধ্যক্ষ আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ব্রাত্য বসু, শশী পাঁজা, সুজিত বসু, সরকারি মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষ প্রমুখ। এই পর্বের অধিবেশনে রাজ্য সরকারের একাধিক দপ্তরের বাজেট নিয়ে আলোচনা হবে। তাতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের বাজেট নিয়ে আলোচনা। আর জি করের ঘটনা এবং তার পরবর্তীকালে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য পরিষেবার আলোচনায় উঠে আসবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তাছাড়া বিধানসভার অলিন্দের খবর, স্বাস্থ্যদপ্তরের আলোচনায় বিরোধীরা যে সমস্ত অভিযোগ তুলবে তা উন্নয়ন পরিকাঠামোর ফিরিস্তি তুলে ধরে পাল্টা জবাব দেওয়ার কৌশল নিয়েছে সরকার পক্ষ। এছাড়াও আরও পাঁচটি দপ্তরের বাজেট নিয়ে আলোচনা হবে অধিবেশনে। তবে স্বরাষ্ট্র দপ্তরের বাজেট নিয়ে আলোচনা হবে কি না, তা খোলুসা করেননি স্পিকার। তাঁর বক্তব্য, স্বরাষ্ট্র বিষয়ক বিভিন্ন প্রশ্ন অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে বিধায়করা উত্থাপন করেই থাকেন।
অন্যদিকে, আসন্ন বিধানসভার অধিবেশনে সাম্প্রতিক বিভিন্ন বিষয় উঠে আসবে, তাতে শাসক বিরোধী দু’পক্ষের মধ্যেই তুমুল বাকবিতন্ডা হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। বিশেষ করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর উপর যেভাবে আক্রমণ হয়েছে, তা নিয়েও সরগরম রয়েছে বাংলার রাজনৈতিক মহল। সেই প্রসঙ্গটিও আসন্ন অধিবেশন পর্বে উঠে আসতে পারে বলে খবর। বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে মন্ত্রীর পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি থাকা সত্ত্বেও তাঁর উপর যেভাবে হামলা হয়েছে তা দুর্ভাগ্যজনক ও নিন্দনীয়। শিক্ষামন্ত্রী অনেক ধৈর্য দেখিয়েছেন সেদিন।
তাছাড়া ভুয়ো ভোটার নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে সরগরম বাংলার রাজনৈতিক মহল। বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলে ভোটযুদ্ধের ময়দানে নেমে পড়েছে তৃণমূল। জেলায় জেলায় চলছে ভোটার তালিকায় স্কুটিনি পর্ব। মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেছেন, ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশন খুবই প্রয়োজন। কিন্তু সেটা হচ্ছে না। আমরা নির্বাচন কমিশনারের কাছে দাবি করেছি, ইউনিক এপিক নম্বর দেওয়ার জন্য।



