সংবাদদাতা, রামপুরহাট: মাত্র ২০ সেকেন্ড! তারপরই হাপিশ হয়ে যাচ্ছে বাইক। বাইক চুরিতে পটু এমনই চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে মল্লারপুর থানার পুলিশ। চুরি যাওয়া দু’টি বাইক উদ্ধার হয়েছে। এই চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। বাইক চুরি এখন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। চোর ধরতে কালঘাম ছুটছে পুলিশের। কখনও তা সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশে, আবার কখনও সীমানা পার করে ঝাড়খণ্ডে বিক্রি করে দেওয়া হয়। আবার ঝাড়খণ্ড থেকে চুরি যাওয়া বাইকগুলি গ্রামের মেঠোপথ ধরে এরাজ্যে নিয়ে এসে বিক্রি করা হয়। একাধিক চক্র গড়ে উঠেছে। পুলিশের একটি সূত্র জানাচ্ছে, এখানকার চুরির বাইক ঝাড়খণ্ড ও মুর্শিদাবাদে বিক্রি করা হচ্ছে। ঝাড়খণ্ডের বাইক বিক্রি করা হচ্ছে এরাজ্যে। গত ১০ ও ১১ অক্টোবর পরপর দু’দিন মল্লারপুর বাজার থেকে দু’টি বাইক চুরি হয়। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে পুলিশ বাজারে লাগানো সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে চারজনকে শনাক্ত করে। সেইমতো দু’দিন পর প্রথমে মহম্মদবাজার থানার দীঘলগ্রামের আরমান শেখ ওরফে টাউন শেখ এবং সইরুল শেখকে গ্রেফতার করে। জেরায় তাদের কাছ থেকে এই চক্রের ওই গ্রামের আরও দু’জনের নাম পায়। এরপরই মাসুদ করিম শেখ ওরফে বাপি এবং হাসিম শেখকে গ্রেফতার করে। ১৪অক্টোবর ধৃতদের রামপুরহাট আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচদিনের পুলিশি হেপাজত মঞ্জুর করেন। তাদের জেরা করে পুলিশ দীঘলগ্রামের গোপন ডেরা থেকে চুরি যাওয়া দু’টি বাইক উদ্ধার করে।



