


গান্ধীনগর, ১৬ মার্চ: যোগ্যতা দশম শ্রেনি। পেশায় ডাক্তার। এমনই এক ব্যক্তিকে গুজরাতের সুরাত জেলায় একটি অবৈধ ক্লিনিক চালানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃত ব্যক্তির নাম সঞ্জিত নীলকমল বিশ্বাস (৪০)। তিনি পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কোনও ধরনের চিকিৎসা ডিগ্রি বা লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও সঞ্জিত নিজেকে যোগ্য চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে রোগীদের চিকিৎসা করছিলেন। এমনকি তিনি অ্যালোপ্যাথি ওষুধ ইনজেকশন দিয়ে বহু রোগীর চিকিৎসাও করতেন বলে অভিযোগ। একটি গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ এবং স্বাস্থ্য দফতরের মেডিকেল অফিসারদের নিয়ে গঠিত একটি যৌথ দল সুরাতের একটি গ্রামে তল্লাশি চালান। সেখানেই পুলিশ সন্ধান পান ‘আশা ক্লিনিক’ নামক এক ক্লিনিকের। অভিযানের সময় কর্মকর্তারা দেখতে পান, সঞ্জিত একদম ডাক্তার সেজে রোগীদের চিকিত্সা করছেন।
তল্লাশি চালিয়ে ক্লিনিক থেকে বিপুল পরিমাণ অ্যালোপ্যাথি ওষুধ, ইনজেকশন, স্টেথোস্কোপ, সিরিঞ্জ এবং ছোটখাটো চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, ‘দীর্ঘদিন ধরেই সঞ্জিত এভাবে সাধারণ মানুষের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে ভুয়ো ডাক্তার সেজে প্রতারণা করে আসছে। বর্তমানে তাকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে’।
স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে, এমন ভুয়ো চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে যাতে সাধারণ মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে না পড়ে।