নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: গতবার বাজেটে যা ঘোষণা করা হয়েছিল, তার সিংহভাগ প্রকল্পই শুরু হয়নি। কিছু ক্ষেত্রে কাজের প্রাথমিক উদ্যোগ নেওয়া হলেও সেই তালিকায় বাদ বাংলা। ‘পূর্বোদয়’ নামে গতবার একটি প্রকল্প ঘোষণা করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড এবং অন্ধ্রপ্রদেশের মতো পাঁচ রাজ্যে সার্বিক উন্নয়ন করা হবে। বিকশিত ভারতের লক্ষে পরিকাঠামো উন্নয়ন, হিউম্যান রিসোর্সে জোর দেওয়া হবে। কিন্তু কাজ কী হয়েছে? সংসদে পেশ করা বাজেট নথিই বলছে, বিহার, ওড়িশা এবং অন্ধ্রপ্রদেশের জন্য উদ্যোগ নিয়েছে নীতি আয়োগ। তৈরি করা হচ্ছে ভিশন ডকুমেন্ট, ২০৪৭। বাংলা এবং ঝাড়খণ্ডের ব্যাপারে আপাতত কিছু নেই। অর্থাৎ অবিজেপি শাসিত দুই রাজ্যকেই দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে।
Advertisement
গত বাজেটে বলা হয়েছিল, সংগঠিত ক্ষেত্রে প্রথমবার যারা চাকরি পাবেন, তাদের জন্য ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারে এক মাসের বেতন দেওয়া হবে। তিন কিস্তিতে তা দেওয়া হবে। এতে ২ কোটি ১০ লক্ষ যুবক উপকৃত হবেন। কিন্তু ঘোষিত এই প্রকল্পের কী হয়েছে? সরকারই জানিয়েছে, স্রেফ খসড়া ক্যাবিনেট নোট তৈরি হয়েছে। ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরে ৩০ লক্ষ তরুণকে চাকরির সুযোগ করে দেওয়ার প্রকল্পও ঘোষণা হয়েছিল। তার কাজও তেমন এগোয়নি। স্রেফ খসড়া ক্যাবিনেট নোট তৈরি হয়েছে। আর শ্রমমন্ত্রক সিআইআইয়ের মতো বণিকসভার সঙ্গে কয়েকটি মিটিং করেছে। জৈব চাষে এক কোটি কৃষককে উদ্যোগী করা হবে বলেও ঘোষণা হয়েছিল। কিন্তু সেই কাজেও স্রেফ গত ২৫ নভেম্বর ক্যাবিনেট প্রকল্পটির অনুমোদন করেছে। ফলে ঘোষণাই সার।
মধ্যবিত্তকে বছরে ১২ লক্ষ টাকা আয় পর্যন্ত কর ছাড়ের বাজেট ঘোষণায় বিজেপি দিল্লি, বিহার বিধানসভা ভোটে লাভের গুড় খাওয়ার পরিকল্পনা করেছে। কিন্তু নিঃশব্দে বাড়ছে ঋণের বোঝা। সেটা অবশ্য ঘটা করে বলছে না কেন্দ্রীয় সরকার। গত এক বছরে দেশে বিদেশে মোদি সরকার ঋণের বোঝা বেড়েছে ১৩ লক্ষ ১ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা। ২০২৪ সালে বাজেটে বলা হয়েছিল, ওই বছরের মার্চের শেষে ঋণ বোঝার অঙ্কটি হবে ১ কোটি ৬৮ লক্ষ ৭২ হাজার ৫৫৪ কোটি টাকা। এক বছর পর অর্থাৎ ২০২৫ সালের ৩১ মার্চে গিয়ে সেই অঙ্কটি বেড়ে হচ্ছে ১ কোটি ৮১ লক্ষ ৭৪ হাজার ২৮৪ কোটি টাকা।
শুধু তাই নয়। গত বছর ছিল লোকসভা ভোট। তাই ভোট পরবর্তী ২৩ জুলাই অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সংসদে ঋণের বোঝার বিষয়ে যে হিসেব কষেছিলেন, তা ছাপিয়ে গিয়েছে। সরকার জানিয়েছিল, ২০২৫ সালের ৩১ মার্চের হিসেব মোতাবেক, দেশে বিদেশে ভারতের ঋণের বোঝা দাঁড়াবে ১৮১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪৫৬ কোটি টাকা। কিন্তু গত শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সংসদে যে বাজেট পেশ হয়েছে, তার তথ্যে সেই অঙ্কটি বেড়ে গিয়েছে। এখন বলা হচ্ছে, চলতি বছরের ৩১ মার্চ মোতাবেক ঋণের বোঝা ১৮১ লক্ষ ৭৪ হাজার ২৮৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ গত ছ’মাসেই নির্মলার হিসেবের খাতা বলছে, বেড়েছে ৫ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা ঋণের বোঝার অঙ্ক। ফলে বোঝা কমছে না।
মধ্যবিত্তকে বছরে ১২ লক্ষ টাকা আয় পর্যন্ত কর ছাড়ের বাজেট ঘোষণায় বিজেপি দিল্লি, বিহার বিধানসভা ভোটে লাভের গুড় খাওয়ার পরিকল্পনা করেছে। কিন্তু নিঃশব্দে বাড়ছে ঋণের বোঝা। সেটা অবশ্য ঘটা করে বলছে না কেন্দ্রীয় সরকার। গত এক বছরে দেশে বিদেশে মোদি সরকার ঋণের বোঝা বেড়েছে ১৩ লক্ষ ১ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা। ২০২৪ সালে বাজেটে বলা হয়েছিল, ওই বছরের মার্চের শেষে ঋণ বোঝার অঙ্কটি হবে ১ কোটি ৬৮ লক্ষ ৭২ হাজার ৫৫৪ কোটি টাকা। এক বছর পর অর্থাৎ ২০২৫ সালের ৩১ মার্চে গিয়ে সেই অঙ্কটি বেড়ে হচ্ছে ১ কোটি ৮১ লক্ষ ৭৪ হাজার ২৮৪ কোটি টাকা।
শুধু তাই নয়। গত বছর ছিল লোকসভা ভোট। তাই ভোট পরবর্তী ২৩ জুলাই অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সংসদে ঋণের বোঝার বিষয়ে যে হিসেব কষেছিলেন, তা ছাপিয়ে গিয়েছে। সরকার জানিয়েছিল, ২০২৫ সালের ৩১ মার্চের হিসেব মোতাবেক, দেশে বিদেশে ভারতের ঋণের বোঝা দাঁড়াবে ১৮১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪৫৬ কোটি টাকা। কিন্তু গত শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সংসদে যে বাজেট পেশ হয়েছে, তার তথ্যে সেই অঙ্কটি বেড়ে গিয়েছে। এখন বলা হচ্ছে, চলতি বছরের ৩১ মার্চ মোতাবেক ঋণের বোঝা ১৮১ লক্ষ ৭৪ হাজার ২৮৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ গত ছ’মাসেই নির্মলার হিসেবের খাতা বলছে, বেড়েছে ৫ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা ঋণের বোঝার অঙ্ক। ফলে বোঝা কমছে না।



