নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: গত বছর আগস্ট থেকে ডেঙ্গু সংক্রমণের গ্রাফ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী ছিল। চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছেছিল সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে। গতবার অক্টোবর পর্যন্ত বিধাননগর পুরসভায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন সাড়ে ৩ হাজারের বেশি মানুষ। সেখানে এবার জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র ২৪৬ জন, যা গতবারের তুলনায় ১৪ গুণ কম। এই পরিসংখ্যানে স্বভাবতই স্বস্তিতে পুরসভা। তবে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সংক্রমণ কিছুটা বেড়েছে। চলতি মাসের গোড়াতেই নতুন করে ৩৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। সংখ্যাটা কম
Advertisement
হলেও সাপ্তাহিক হিসেবে এ বছরের এটাই সর্বোচ্চ।
১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তের বার্ষিক হিসেব নথিবদ্ধ করা হয়। প্রতি সপ্তাহে পুরসভার স্বাস্থ্যবিভাগ ডেঙ্গু আক্রান্তের তথ্য সংগ্রহ করে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, গতবার জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৯৫৬ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। তার মধ্যে জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩৫১৬ জন। এবার অক্টোবর পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ২৪৬। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ ধরলে তা সংখ্যাটা ২৮৫। গতবার আগস্ট থেকে ডেঙ্গু বাড়তে শুরু করেছিল। আগস্টে ৭৭৪, সেপ্টেম্বরে ১৪০০ এবং অক্টোবরে ১১৯৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এবার আগস্টে ২১ জন, সেপ্টেম্বরে ৬১ জন এবং অক্টোবরে ১৩৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বছর সংক্রমণের যে হার ছিল, সেই নিরিখে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ৩৯ জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর কিছুটা হলেও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। গতবার এক সপ্তাহে ৩০০ জন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছিলেন। এবার প্রথম থেকেই সংক্রমণের হার খুব কম। তাই জানুয়ারি থেকে কোনও একটি সপ্তাহে ৩৯ জন আক্রান্ত হননি। বিধাননগরের
মেয়র পারিষদ (স্বাস্থ্য) বাণীব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘গতবারের চেয়ে এবার ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা
অনেক কম। কিন্তু কোনওভাবে আবার তা না বেড়ে যায়, তার জন্য আমরা সমস্ত ব্যবস্থা নিয়েছি। বাড়িতে জমা জল না রাখা, রাতে মশারি টাঙিয়ে ঘুমোনোর মতো পরামর্শগুলি দেওয়া হচ্ছে। সবাই সাহায্য ও সহযোগিতা করলে নভেম্বর ও ডিসেম্বরেও ডেঙ্গু রুখে দেওয়া সম্ভব।’
১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তের বার্ষিক হিসেব নথিবদ্ধ করা হয়। প্রতি সপ্তাহে পুরসভার স্বাস্থ্যবিভাগ ডেঙ্গু আক্রান্তের তথ্য সংগ্রহ করে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, গতবার জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৯৫৬ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। তার মধ্যে জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩৫১৬ জন। এবার অক্টোবর পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ২৪৬। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ ধরলে তা সংখ্যাটা ২৮৫। গতবার আগস্ট থেকে ডেঙ্গু বাড়তে শুরু করেছিল। আগস্টে ৭৭৪, সেপ্টেম্বরে ১৪০০ এবং অক্টোবরে ১১৯৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এবার আগস্টে ২১ জন, সেপ্টেম্বরে ৬১ জন এবং অক্টোবরে ১৩৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বছর সংক্রমণের যে হার ছিল, সেই নিরিখে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ৩৯ জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর কিছুটা হলেও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। গতবার এক সপ্তাহে ৩০০ জন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছিলেন। এবার প্রথম থেকেই সংক্রমণের হার খুব কম। তাই জানুয়ারি থেকে কোনও একটি সপ্তাহে ৩৯ জন আক্রান্ত হননি। বিধাননগরের
মেয়র পারিষদ (স্বাস্থ্য) বাণীব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘গতবারের চেয়ে এবার ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা
অনেক কম। কিন্তু কোনওভাবে আবার তা না বেড়ে যায়, তার জন্য আমরা সমস্ত ব্যবস্থা নিয়েছি। বাড়িতে জমা জল না রাখা, রাতে মশারি টাঙিয়ে ঘুমোনোর মতো পরামর্শগুলি দেওয়া হচ্ছে। সবাই সাহায্য ও সহযোগিতা করলে নভেম্বর ও ডিসেম্বরেও ডেঙ্গু রুখে দেওয়া সম্ভব।’



