Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গ্রেপ্তার মূল অভিযুক্তের বন্ধুও, ভয়ে পালিয়ে গিয়েছিল অসমে

গ্রেপ্তার মূল অভিযুক্তের বন্ধুও, ভয়ে পালিয়ে গিয়েছিল অসমে
  • ৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: বাড়িতে একাই ছিলেন বৃদ্ধা। সেই সুযোগে ইঞ্জেকশন দিয়ে তাঁকে অচেতন করে সর্বস্ব লুট করে পালিয়ে গিয়েছিল দুই যুবক। সল্টলেকের পূর্বাচলের ওই ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মূল অভিযুক্ত শুভঙ্কর মুখোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করেছিল বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিস। তবে, তার সহযোগীকে ধরা যায়নি। কারণ, ধরপাকড়ের ভয়ে সে বাগুইআটি থেকে পালিয়ে গিয়েছিল অসমে। অবশেষে বুধবার রাতে শুভঙ্করের সেই বন্ধুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতের নাম কুণাল মণ্ডল। বাগুইআটির জ্যাংড়ায় তার বাড়ি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিস জানতে পেরেছে, দু’জনে পরিকল্পনা করেই এই অপরাধ ঘটিয়েছে।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, লুটপাটের ঘটনাটি ঘটেছিল গত ২৩ নভেম্বর। সল্টলেকের পূর্বাচলের বাড়িতে বৃদ্ধা ছায়া সেনগুপ্ত একাই ছিলেন। গত অক্টোবরে তাঁর স্বামী প্রয়াত হয়েছেন। অসুস্থ স্বামীকে দেখভালের দায়িত্বে ছিল শুভঙ্কর। সে নার্সিং কেয়ারের গিভারের কাজ করত। যেহেতু, ওই বাড়িতে শুভঙ্কর ২৪ ঘণ্টা থাকত, তাই গোটা বাড়ি তার চেনা ছিল। কার্যত তখনই রেকি করে ফেলেছিল। ছায়াদেবীর স্বামী মারা যাওয়ার পর শুভঙ্কর খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, তিনি একাই ওই বাড়িতে থাকছেন। তারপরই সে লুটপাটের পরিকল্পনা করে। সঙ্গী হিসেবে সে কুণালকে নেয়। রাতের দিকে লুট করলে সন্দেহ বেশি হবে, তাই দিনের বেলায় তারা এই অপরাধ করার সিদ্ধান্ত নেয়।
পরিকল্পনামাফিক ওইদিন দু’জন বাড়িতে ঢোকে। যেহেতু শুভঙ্কর নার্সিংয়ের কাজ করত, তাই সে ইঞ্জেকশন দিতে জানে। ব্যাগে করে ঘুমের ইঞ্জেকশন নিয়ে গিয়েছিল। সেই ইঞ্জেকশন দিয়ে ছায়াদেবীকে আচ্ছন্ন করে দেয় তারা। তারপর বাড়ি থেকে নগদ প্রায় দু’লক্ষ টাকা এবং সোনার অলঙ্কার নিয়ে তারা পালিয়ে যায়। ইঞ্জেকশনের ঘোর কাটার পর ওই বৃদ্ধা পুলিসের দ্বারস্থ হন। ওইদিনই শুভঙ্করকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এবার ওই কাণ্ডে পলাতক কুণালকেও গ্রেপ্তার করা হল।
সম্পর্কিত সংবাদ