Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

স্বাধীনতার লড়াইয়ে শরিক হয়ে কারাবন্দি ছিলেন একঝাঁক সংগ্রামী, গর্বিত উদয়নারায়ণপুর

রাত পোহালেই স্বাধীনতা দিবস। এই দিনে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আরও একবার শ্রদ্ধা জানাবে সারা দেশ। হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুরের একাধিক বাসিন্দা সক্রিয়ভাবে স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন।

স্বাধীনতার লড়াইয়ে শরিক হয়ে কারাবন্দি ছিলেন একঝাঁক সংগ্রামী, গর্বিত উদয়নারায়ণপুর
  • ১৫ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: রাত পোহালেই স্বাধীনতা দিবস। এই দিনে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আরও একবার শ্রদ্ধা জানাবে সারা দেশ। হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুরের একাধিক বাসিন্দা সক্রিয়ভাবে স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন আজীবন সংগ্রামী, কৃষক ও গণ আন্দোলনের নেতা কানুপাটের নিতাই মণ্ডল। তিনি একদিকে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, অন্যদিকে জমিদারদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের পাশাপাশি সমাজ সংস্কার ও শিক্ষা বিস্তারের কাজ করেছেন। যে কারণে ১৯২৬ থেকে ১৯৩২ সাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জেলে বন্দি ছিলেন তিনি। প্রেসিডেন্সি, আলিপুর, মেদিনীপুর, হিজলি জেল ঘুরিয়ে ১৯৩২ সালে ফের তাঁকে আনা হয়েছিল আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে।

Advertisement

আজাদ হিন্দ ফৌজের স্বেচ্ছাসেবকের কাজে গভীর আগ্রহ ছিল চিত্রসেনপুরের দুর্গাপদ ঘাঁটির। স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশ নেওয়ায় তাঁকে আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে বন্দি করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে সরকারি তাম্রপত্র দিয়ে সম্মানিত করা হয় তাঁকে। শত দারিদ্র্যের মাঝেও আন্দোলন করে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন পাঁচারুলের ভদ্রেশ্বর হালদার। তিনি এক বছর কারাবন্দি ছিলেন। ১৯৭২ সালে তিনি তাম্রপত্র পেয়েছিলেন। ১৯৩০ সালে অসহযোগ আন্দোলনে অংশ নিয়ে জেল খেটেছেন কাঁকড়াইয়ের চণ্ডী হাজরা। বিয়াল্লিশের আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে জড়ানোয় দমদম জেলে বন্দি হয়েছিলেন শক্তিপদ হাজরা। ১৯৩২ সালে লবন আইন অমান্য করে ২২ বছর বয়সে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন খিলার পঞ্চানন পাড়াল। প্রথমে আলিপুরে, পরে হিজলি জেলে বন্দি ছিলেন তিনি। উত্তর মানশ্রীর পঞ্চানন চক্রবর্তী লবণ আইন অমান্য করেছিলেন। বিদেশি দ্রব্য বর্জন করার পাশাপাশি চরকায় সুতো কেটেছিলেন। তাঁর যখন ২১ বছর বয়স, তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল ব্রিটিশ পুলিস। প্রথমে আলিপুর জেলে, পরে দমদম জেলে পাঠানো হয়েছিল তাঁকে। তাঁর সহকর্মী ছিলেন বিভূতিভূষণ পান্ডা, তিনকড়ি চক্রবর্তী, কার্তিক ওরফে ললিত চক্রবর্তী। ১৯৭৫ সালের ২৬ জানুয়ারি তাকে তাম্রপত্র দিয়ে সম্মানিত করা হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ