নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি ও সংবাদদাতা, বাগডোগরা: পরীক্ষা শুরুর সময় ১০টা ৪৫ মিনিট। কিন্তু রাস্তাতেই ১০টা ৪০মিনিট! সৌজন্য যানজট। এনিয়ে ঘাবড়ে যায় দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। ইংরেজি পরীক্ষা দেওয়া হবে কি না তা নিয়ে তাদের টেনশন চরমে। দৃশ্যতই মুখের রং ‘লাল’। হাত, পা কাঁপছে। চোখ ছলছল করছে। সেই সময় তাদের বাইকে চাপিয়ে হুটার বাজিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রের দিকে রওনা দেয় ট্রাফিক পুলিস। মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে তাদের পরীক্ষা কেন্দ্র পৌঁছে দেওয়া হয়। মাধ্যমিক পরীক্ষার দ্বিতীয়দিন মঙ্গলবার ঘটনা দু’টি শিলিগুড়ি শহরে হিলটকার্ট রোডের সফদর হাসমিচক ও মাটিগাড়ায় ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের খাপরাইল মোড়ের। এজন্য সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে কার্যত গ্রিন করিডর তৈরি করেছিল ট্রাফিক পুলিস।
Advertisement
শিলিগুড়ির ডেপুটি পুলিস কমিশনার (ট্রাফিক) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বলেন, ট্রাফিকের বাইক পেট্রোলিং বাহিনী সতর্ক থাকায় ওই পরীক্ষার্থীদের হলে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
ওই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে একজন রিঙ্কু দাস। প্রধাননগরে বাড়ি। রাজেন্দ্রপ্রসাদ গালর্স হাইস্কুলের ছাত্রী। মাধ্যমিক পরীক্ষায় তার সিট পড়ে হাকিমপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ে। সোয়া ১০টা নাগাদ সে বাড়ি থেকে টোটোতে করে পরীক্ষা কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। জংশনের কাছে বেওয়ারিশ গোরুর মৃত্যুর জেরে তীব্র যানজট হয়। সেখান থেকে সে কোনওরকমে হাসমিচকে আসে। তখন ১০টা ৪০। টোটো থেকে নেমে এদিক ওদিক ছোটাছুটি করছিল। এমনটা দেখে এগিয়ে আসেন পানিট্যাঙ্কি ট্রাফিক গার্ডের ওসি মহেশ সিং ও এসআই মহম্মদ জিয়াউল হক। তাঁরা সবকিছু শুনে সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রীটিকে হুটারযুক্ত বাইকে চাপিয়ে দেন। বাইক নিয়ে ছোটেন এএসআই সুজয় সরকার। হাসমিচক থেকে হাসপাতাল মোড়, চিলড্রেন পার্ক হয়ে বাইক পৌঁছয় পরীক্ষা কেন্দ্রে। এজন্য সংশ্লিষ্ট রুট কার্যত গ্রিন করিডর করা হয়েছিল।
অপরজন ছাত্র। সে মাটিগাড়া হরসুন্দর হাইস্কুলে পড়ে। তার পরীক্ষা কেন্দ্র শিবমন্দির নরসিংহ বিদ্যাপীঠ। ত্রিপালিজোতে বাড়ি। সেখান থেকে হেঁটে ১০টা ৩৮ মিনিট নাগাদ খাপরাইল মোড়ে পৌঁছয় সে। তখন তার পাশে দাঁড়ায় বাগডোগরা ট্রাফিক গার্ড। তারা তাকে বাইকে বসিয়ে হুটার বাজিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়।
ওই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে একজন রিঙ্কু দাস। প্রধাননগরে বাড়ি। রাজেন্দ্রপ্রসাদ গালর্স হাইস্কুলের ছাত্রী। মাধ্যমিক পরীক্ষায় তার সিট পড়ে হাকিমপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ে। সোয়া ১০টা নাগাদ সে বাড়ি থেকে টোটোতে করে পরীক্ষা কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। জংশনের কাছে বেওয়ারিশ গোরুর মৃত্যুর জেরে তীব্র যানজট হয়। সেখান থেকে সে কোনওরকমে হাসমিচকে আসে। তখন ১০টা ৪০। টোটো থেকে নেমে এদিক ওদিক ছোটাছুটি করছিল। এমনটা দেখে এগিয়ে আসেন পানিট্যাঙ্কি ট্রাফিক গার্ডের ওসি মহেশ সিং ও এসআই মহম্মদ জিয়াউল হক। তাঁরা সবকিছু শুনে সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রীটিকে হুটারযুক্ত বাইকে চাপিয়ে দেন। বাইক নিয়ে ছোটেন এএসআই সুজয় সরকার। হাসমিচক থেকে হাসপাতাল মোড়, চিলড্রেন পার্ক হয়ে বাইক পৌঁছয় পরীক্ষা কেন্দ্রে। এজন্য সংশ্লিষ্ট রুট কার্যত গ্রিন করিডর করা হয়েছিল।
অপরজন ছাত্র। সে মাটিগাড়া হরসুন্দর হাইস্কুলে পড়ে। তার পরীক্ষা কেন্দ্র শিবমন্দির নরসিংহ বিদ্যাপীঠ। ত্রিপালিজোতে বাড়ি। সেখান থেকে হেঁটে ১০টা ৩৮ মিনিট নাগাদ খাপরাইল মোড়ে পৌঁছয় সে। তখন তার পাশে দাঁড়ায় বাগডোগরা ট্রাফিক গার্ড। তারা তাকে বাইকে বসিয়ে হুটার বাজিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়।



