Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

গরম রড দিয়ে ছ্যাঁকা, চলত আরও অত্যাচার, চেন্নাইয়ের ফ্ল্যাটের শৌচালয়ে মিলল নাবালিকা পরিচারিকার দেহ

গরম রড দিয়ে ছ্যাঁকা, চলত আরও অত্যাচার, চেন্নাইয়ের ফ্ল্যাটের শৌচালয়ে মিলল নাবালিকা পরিচারিকার দেহ
  • ৩ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
চেন্নাই, ৩ নভেম্বর: গরম লোহার রড দিয়ে গায়ে দেওয়া হত ছ্যাঁকা। জোর করে সিগারেটের আগুন দিয়েও নাবালিকা ওই পরিচারিকাটির উপর চলত অত্যাচার। যে বাড়িতে সে পরিচারিকার কাজ করত, সেই বাড়ির শৌচালয় থেকেই সম্প্রতি উদ্ধার হয়েছে তার দেহ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে চেন্নাইয়ের মেহতা নগরে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এখনও পর্যন্ত মোট চার জনকে আটক করেছে পুলিস।
Advertisement
পুলিস সূত্রে খবর, নাবালিকাটির বয়স ১৫ বছর। চেন্নাইয়ের মেহতা নগরের একটি ফ্ল্যাটে সে পরিচারিকার কাজ করত। ফ্ল্যাটটিতে বসবাস করতেন এক দম্পতি। তাঁদের নাম মহম্মদ নিশাদ এবং নাসিয়া। অভিযোগ, দিনের পর দিন তাঁরাই নৃশংস অত্যাচার চালাতেন নাবালিকাটির উপরে।গরম রড দিয়ে ছ্যাঁকা, চলত আরও অত্যাচার, চেন্নাইয়ের ফ্ল্যাটের শৌচালয়ে মিলল নাবালিকা পরিচারিকার দেহ
চেন্নাই, ৩ নভেম্বর: অমানবিক! শারীরিক নির্যাতন ও তারপর রহস্যমৃত্যু বাড়ির নাবালিকা পরিচারিকার। এমনই এক ঘটনার সাক্ষী থাকল চেন্নাইয়ের মেহতা নগরের বাসিন্দারা। এখানকারই একটি ফ্ল্যাটের শৌচালয় থেকে উদ্ধার হয়েছে তার মৃতদেহ। কিন্তু ঠিক কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
চেন্নাইয়ের মেহতা নগরের একটি ফ্ল্যাটে পরিচারিকার কাছ করত বছর ১৫-র ওই নাবালিকা। স্থানীয় সূত্রে খবর, নিত্যদিনই তার উপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হত। কখনও গরম লোহার রড দিয়ে তো কখনও সিগারেটের আগুন দিয়ে তার গায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হত। সম্প্রতি সেই ফ্ল্যাটের শৌচালয় থেকেই উদ্ধার হয় ওই পরিচারিকার নিথর দেহ। কিন্তু ঠিক কিভাবে যে তাঁর মৃত্যু হয়েছে তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মোট চার জনকে আটক করা হয়েছ পুলিস জানিয়েছে, ওই  ফ্ল্যাটটিতে বসবাস করতেন এক দম্পতি। তাঁদের নাম মহম্মদ নিশাদ এবং নাসিয়া। অভিযোগ, দিনের পর দিন তাঁরাই নৃশংস অত্যাচার চালাতেন নাবালিকাটির উপরে। পুলিসের দাবি তারাই ওই নাবালিকাকে খুন করে তার দেহ ফ্ল্যাটের শৌচালয়ে রেখে সেখান থেকে পালিয়ে যান। মৃতার শরীরের একাধিক জায়গায় ক্ষত চিহ্নও মিলেছে। পুলিস দেহটিকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিকটবর্তী একটি হাসপাতালে পাঠিয়েছে। তবে মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের পরই তা জানা যাবে। পুলিস জানিয়েছে, নিশাদ এবং নাসিয়া নাবালিকাটিকে খুন করে তার দেহ ফ্ল্যাটের শৌচালয়ে রেখে সেখান থেকে পালিয়ে যান। মৃতার শরীরের একাধিক জায়গায় ক্ষত চিহ্ন মিলেছে।
পুলিস দেহটিকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিকটবর্তী একটি হাসপাতালে পাঠিয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে নাবালিকাটির মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের পরই মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব হবে বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে।
সম্পর্কিত সংবাদ