সংবাদদাতা, সিউড়ি: গরম পড়তেই মহম্মদ বাজারের বিভিন্ন গ্রামে ভূগর্ভস্থ জলস্তর নেমে যাওয়ায় শুরু হয়েছে পানীয় জলের সমস্যা। ময়ূরাক্ষী নদীতে অবৈজ্ঞানিকভাবে দেদার বালি তোলার জন্য বৃদ্ধি পেয়েছে নদীর নাব্যতা। তার জেরেই এইসব গ্রামের টিউবওয়েল ও সাবমার্সিবলগুলিতে জলস্তর নেমে যাচ্ছে। আসন্ন গ্রীষ্মে পানীয় জলের সঙ্কট আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পানীয় জলের সমস্যা মেটাতে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করছেন গ্রামগুলির বাসিন্দারা।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ বাজার ব্লকের চরিচা ও ধুতুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের ফুলবাগান, তুলসীবোনা, ছাগলাকুড়ি, আমগাছি, কদমহিড়, মুহুলডাঙা সহ একাধিক গ্রামে এখন থেকেই পানীয় জলের সঙ্কটের অভিযোগ আসতে শুরু করেছে। এইসব গ্রামে পঞ্চায়েতের উদ্যোগে সাবমার্সিবল পাম্প বসিয়ে পানীয় জল সরবরাহ করা হয়। তাছাড়া গ্রামের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে টিউবওয়েল। স্থানীয় পঞ্চায়েতগুলির দাবি, এইসব ভূগর্ভস্থ জলস্তর নেমে যাওয়ায় জলের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এই গ্রামগুলির পাশ দিয়েই বয়ে গিয়েছে ময়ূরাক্ষী নদী। একইভাবে ময়ূরাক্ষী নদীর অপরপারে খটঙ্গা পঞ্চায়েতের একাধিক নদী উপকূলবর্তী গ্রামেও পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দিয়েছে।
চরিচা এলাকার কয়েকজন গ্রামবাসী ডালু হেমব্রম, সুনীল টুডু বলেন, গ্রীষ্মকাল আসার আগেই পানীয় জলের সমস্যা শুরু হয়েছে। ভূগর্ভস্থ জলস্তর নেমে যাওয়ায় অধিকাংশ টিউবওয়েলে জল উঠছে না। গরমে জলের সঙ্কট আরও বাড়বে বলে মনে হচ্ছে।
পানীয় জলের সঙ্কট প্রসঙ্গে আদিবাসী নেতা রবিন সরেন বলেন, বালি তোলার কারণে নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে জলস্তর আরও নীচে নেমে গিয়েছে। সেই কারণেই নদী উপকূলবর্তী গ্রামগুলিতে যে সাবমার্সিবল অথবা টিউবওয়েল রয়েছে সেগুলিতে জল পাওয়া যাচ্ছে না। গ্রীষ্মকাল এখনও আসেনি। সামান্য গরম পড়তেই পানীয় জলের সমস্যা দেখা দিয়েছে। আগামী দিনে এই সমস্যা প্রকট হতে পারে।
চরিচা এলাকার কয়েকজন গ্রামবাসী ডালু হেমব্রম, সুনীল টুডু বলেন, গ্রীষ্মকাল আসার আগেই পানীয় জলের সমস্যা শুরু হয়েছে। ভূগর্ভস্থ জলস্তর নেমে যাওয়ায় অধিকাংশ টিউবওয়েলে জল উঠছে না। গরমে জলের সঙ্কট আরও বাড়বে বলে মনে হচ্ছে।
পানীয় জলের সঙ্কট প্রসঙ্গে আদিবাসী নেতা রবিন সরেন বলেন, বালি তোলার কারণে নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে জলস্তর আরও নীচে নেমে গিয়েছে। সেই কারণেই নদী উপকূলবর্তী গ্রামগুলিতে যে সাবমার্সিবল অথবা টিউবওয়েল রয়েছে সেগুলিতে জল পাওয়া যাচ্ছে না। গ্রীষ্মকাল এখনও আসেনি। সামান্য গরম পড়তেই পানীয় জলের সমস্যা দেখা দিয়েছে। আগামী দিনে এই সমস্যা প্রকট হতে পারে।



