Bartaman Logo
২৮ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গ্রামে গ্রামে রোজগারের নতুন পথ দেখাচ্ছে ইন্টিগ্রেটেড ফার্মিং ক্লাস্টার

গ্রামীণ এলাকায় রোজগারের নতুন পথ দেখাতে ইন্টিগ্রেটেড ফার্মিং ক্লাস্টার করেছে দুবরাজপুর ব্লক প্রশাসন। এই ক্লাস্টারের মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকার পুরুষ ও মহিলাদের জন্য বিশেষভাবে কাজের সুযোগ করে দিয়েছে প্রশাসন

গ্রামে গ্রামে রোজগারের নতুন পথ দেখাচ্ছে ইন্টিগ্রেটেড ফার্মিং ক্লাস্টার
  • ২৪ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, সিউড়ি: গ্রামীণ এলাকায় রোজগারের নতুন পথ দেখাতে ইন্টিগ্রেটেড ফার্মিং ক্লাস্টার করেছে দুবরাজপুর ব্লক প্রশাসন। এই ক্লাস্টারের মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকার পুরুষ ও মহিলাদের জন্য বিশেষভাবে কাজের সুযোগ করে দিয়েছে প্রশাসন। অর্থাৎ পরোক্ষ সরকারি সাহায্যে এলাকার কৃষি ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ থেকে শুরু করে হস্তশিল্প, ফার্ম, পশুপালন, বনদপ্তরের জায়গায় লাভজনক ফসল চাষ করার সুযোগ পাবেন গ্রামবাসী। দুবরাজপুর ব্লকের লক্ষীনারায়ণপুর, গোহালিয়ারা, সাহাপুর ও পদুমা গ্রাম পঞ্চায়েতে এই ক্লাস্টার তৈরি করা হয়েছে।
Advertisement
ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে একটি ক্লাস্টার হিসেবে ধরা হচ্ছে। সেই ক্লাস্টারের অধীনে প্রায় ৩০০ পরিবার কাজের সুযোগ পাচ্ছে। সরকারি সাহায্যে এই ক্লাস্টারের হাতে বিভিন্ন কৃষিযন্ত্র যেমন ধান রোপণ যন্ত্র, ট্রাক্টর ইত্যাদি দেওয়া হয়েছে। এইসব পঞ্চায়েত এলাকার কৃষকরা বেসরকারিভাবে বিভিন্ন কৃষিযন্ত্র ভাড়া নিয়ে চাষ করতে গেলে অনেকটা বেশি খরচ হয়। কিন্তু এই ক্লাস্টারের ব্যক্তিদের কাছে কৃষি যন্ত্রপাতি ভাড়া নিলে অনেক কম খরচে তা পাবে চাষিরা। ফলে এইসব গ্রামীণ এলাকায় কৃষিক্ষেত্রেও সুবিধা হবে কৃষকদের। এছাড়া গ্রামীণ এলাকায় পুকুরগুলিতে মাছচাষের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পশুপালনের ক্ষেত্রেও বিনামূল্যে গৃহপালিত পশু দেওয়া হচ্ছে গ্রামবাসীদের। এছাড়াও বনদপ্তরের জায়গায় বিভিন্ন অর্থকরী ফসল যেমন হলুদ, আমলকী, হরীতকী ইত্যাদি চাষের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে ব্যবহৃত সার বা বীজ সরকারিভাবে বিনামূল্যে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অর্থাৎ এই গ্রামীণ এলাকায় ইন্টিগ্রেটেড ফার্মিং ক্লাস্টারের মাধ্যমে সরকারি সাহায্যে নতুনভাবে রোজগারের দিশা দেখছেন গ্রামবাসী। 
দুবরাজপুরের বিডিও রাজা আদক বলেন, এই ব্লকের চারটি পঞ্চায়েতে চারটি পৃথক ইন্টিগ্রেটেড ফার্মিং ক্লাস্টার তৈরি করা হয়েছে। এলাকার গরিবদের পারিবারিক আয়ের উৎস বৃদ্ধির জন্য এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে চারটি পঞ্চায়েতের প্রায় ১২০০ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। কৃষি, হাতের কাজ থেকে শুরু করে নানা কাজে তাঁদের সরকারিভাবে সাহায্য করা হচ্ছে। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ