সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: ময়নাগুড়িতে আরও তিনটি রেশন দোকান হচ্ছে। যে সমস্ত রেশন দোকানে বেশি সংখ্যায় উপভোক্তা আছেন সেসব দোকানের উপভোক্তাদের নতুন ডিলারের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হবে। শুক্রবার এ খবর দিয়েছেন ময়নাগুড়ি ব্লক খাদ্য পরিদর্শক রাজেশ পণ্ডিত।
Advertisement
জলপাইগুড়ি জেলা খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন ডিলারশিপের জন্য অনলাইনে আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। দপ্তরের ওয়েবসাইটে গিয়ে এজন্য আবেদন করা যাবে। মার্চ মাসের ৯ তারিখ পর্যন্ত আবেদন জমা করা যাবে। খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ময়নাগুড়িতে বর্তমানে রেশন ডিলার ৬০ জন। ধর্মপুর গ্রাম পঞ্চায়েত, ময়নাগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত, সাপ্টিবাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এই তিনটি নতুন রেশন দোকান খোলা হবে। নতুন ডিলার রেশন সামগ্রী বণ্টন শুরু করলে উপভোক্তাদের সুবিধা হবে। রেশন গ্রাহকদের লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে আর রেশন সামগ্রী সংগ্রহ করতে হবে না। তাছাড়া দুয়ারে রেশন পেতেও আর অপেক্ষা করতে হবে না।
জেলা রেশন ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক নীলমণি লাহিড়ী বলেন, নতুন রেশন দোকান খুলছে তাতে আপত্তি নেই। তবে এটাও দেখা উচিত যেসমস্ত ডিলারের গ্রাহক ভেঙে নতুন ডিলারের অধীনে দেওয়া হবে সেখানে যেন সাত হাজারের কম রেশন কার্ড না থাকে। না হলে রেশন দোকান চালানো বিরাট সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে। একটা রেশন দোকানে চালাতে গেলে কয়েকজন কর্মীর প্রয়োজন। তাঁদের পারিশ্রমিকও দিতে হয়। তাছাড়া দুয়ারে রেশন পৌঁছে দিতেও গাড়ি ভাড়া লাগে। তাই আমরা চাইছি, প্রত্যেকেই বাঁচুক।
ব্লক খাদ্য পরিদর্শক বলেন, যে তিনটি গ্রামীণ এলাকা চিহ্নিত হয়েছে সেখানেই নতুন দোকান হবে। বর্তমানে অনলাইনে আবেদন জমা পড়ছে। শহর থেকেও কয়েকজন আবেদন জমা করেছেন। অনেক দোকানে অতিরিক্ত গ্রাহক রয়েছে। ওই সমস্ত দোকান চিহ্নিত করে সেখানকার গ্রাহকদের নতুন ডিলারদের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। এক্ষেত্রে গ্রাহকের রেশন কার্ড নতুন দোকানে চলে যাবে।
জেলা রেশন ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক নীলমণি লাহিড়ী বলেন, নতুন রেশন দোকান খুলছে তাতে আপত্তি নেই। তবে এটাও দেখা উচিত যেসমস্ত ডিলারের গ্রাহক ভেঙে নতুন ডিলারের অধীনে দেওয়া হবে সেখানে যেন সাত হাজারের কম রেশন কার্ড না থাকে। না হলে রেশন দোকান চালানো বিরাট সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে। একটা রেশন দোকানে চালাতে গেলে কয়েকজন কর্মীর প্রয়োজন। তাঁদের পারিশ্রমিকও দিতে হয়। তাছাড়া দুয়ারে রেশন পৌঁছে দিতেও গাড়ি ভাড়া লাগে। তাই আমরা চাইছি, প্রত্যেকেই বাঁচুক।
ব্লক খাদ্য পরিদর্শক বলেন, যে তিনটি গ্রামীণ এলাকা চিহ্নিত হয়েছে সেখানেই নতুন দোকান হবে। বর্তমানে অনলাইনে আবেদন জমা পড়ছে। শহর থেকেও কয়েকজন আবেদন জমা করেছেন। অনেক দোকানে অতিরিক্ত গ্রাহক রয়েছে। ওই সমস্ত দোকান চিহ্নিত করে সেখানকার গ্রাহকদের নতুন ডিলারদের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। এক্ষেত্রে গ্রাহকের রেশন কার্ড নতুন দোকানে চলে যাবে।



