সংবাদদাতা, বারুইপুর: বাড়ির সামনে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে রোদ পোহাচ্ছিলেন মা ও ছেলে। সঙ্গে এক প্রতিবেশী কিশোরও ছিল। তখন মন্দিরবাজারের দিক থেকে আসা একটি চারচাকার গাড়ি সেখানে একটি টোটোকে ওভারটেক করতে যায়। কিন্তু তা করতে গিয়ে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা দেয় তাদের। এতে গুরুতর আহত হন তাঁরা। এরপর স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের মথুরাপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই মৃত্যু হয় মোহিত হালদার (৫) ও তার মা মর্জিনার (২৫)।
Advertisement
ঘটনাটি ঘটে সোমবার সকালে, মথুরাপুর থানার রামবাটি গোপালনগরে। অপর আহত সাত বছরের আরিয়ান হালদারকে মথুরাপুর থেকে ডায়মন্ডহারবার মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়। কিন্তু তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় কলকাতার সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক গাড়িচালককে মথুরাপুর থানার পুলিস মন্দিরবাজার থেকে গ্রেপ্তার করেছে। গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এলাকার বাসিন্দারা বলেন, গাড়িচালক মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। তার জেরেই এই বিপত্তি ঘটে গেল।
অন্যদিকে, বারুইপুরের বাইপাসে খাসমল্লিক ও পদ্মপুকুরের মাঝামাঝি জায়গায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে নির্মাণে ধাক্কা দিয়ে খালে পড়ে গেল একটি চারচাকার গাড়ি। তবে এই ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। রাস্তাটির ধারে প্রচুর স্কুল আছে। সকালে ওই পথে প্রচুর ছাত্রছাত্রী যাতায়াত করে। এমন দুর্ঘটনায় তারা অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। বারুইপুর থানার পুলিস গাড়িটিকে বাজেয়াপ্ত করেছে। এই ঘটনায় রাস্তার ধারে বসার জায়গার কংক্রিটের নির্মাণ, আলোকস্তম্ভ সহ বেশ কিছু জিনিস ভেঙে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিমত, চালক ঘুমিয়ে পড়ার ফলেই এই দুর্ঘটনা। পুলিস তদন্ত শুরু করেছে।
অন্যদিকে, বারুইপুরের বাইপাসে খাসমল্লিক ও পদ্মপুকুরের মাঝামাঝি জায়গায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে নির্মাণে ধাক্কা দিয়ে খালে পড়ে গেল একটি চারচাকার গাড়ি। তবে এই ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। রাস্তাটির ধারে প্রচুর স্কুল আছে। সকালে ওই পথে প্রচুর ছাত্রছাত্রী যাতায়াত করে। এমন দুর্ঘটনায় তারা অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। বারুইপুর থানার পুলিস গাড়িটিকে বাজেয়াপ্ত করেছে। এই ঘটনায় রাস্তার ধারে বসার জায়গার কংক্রিটের নির্মাণ, আলোকস্তম্ভ সহ বেশ কিছু জিনিস ভেঙে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিমত, চালক ঘুমিয়ে পড়ার ফলেই এই দুর্ঘটনা। পুলিস তদন্ত শুরু করেছে।



