


বেঙ্গালুরু: কর্ণাটকে আত্মঘাতী সমাজকল্যাণ দপ্তরের আধিকারিক। মৃতের নাম মল্লিকার্জুন। মৃত্যুর আগে একটি ভিডিয়ো রেকর্ড রেখে যান তিনি। সেখানে কৃষ্ণাপ্পা নামে এক সিনিয়রের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ এনেছেন ওই সরকারি অফিসার। অভিযুক্ত অবশ্য যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। শুক্রবার বিকেলে পাবাগাড়ায় দপ্তরের অফিসে মল্লিকার্জুনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত্যুর আগে সহকর্মীদের একটি ভিডিয়ো পাঠান তিনি। সেখানে মল্লিকার্জুন বলেন, ‘আমার পরিবার প্রতি মুহূর্তে আমার যথেষ্ট খেয়াল নিয়েছে। সম্মান করেছে। আমিও ওদের একটু বেশি সাহায্য করতে চেয়েছিলাম। তবে করতে পারছি না। সমাজকল্যাণ দপ্তরের কৃষ্ণাপ্পার হেনস্তার কারণে এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলাম। ভগবান ওকে শাস্তি দেবেন। কৃষ্ণাপ্পার পরিবারের কোনো দোষ নেই। আইন নিশ্চয়ই ওকে উচিত শিক্ষা দেবে।’ মল্লিকার্জুনের অভিযোগের উত্তরে শনিবার আরও একটি ভিডিয়ো করেন ডিস্ট্রিক্ট ডিরেক্টর কৃষ্ণাপ্পা। তিনি জানান, বেঙ্গালুরুর সদর দপ্তর থেকে মল্লিকার্জুনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এসেছিল। তার ভিত্তিতে ওই অফিসারকে নোটিস দেওয়া হয়। তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন সমাজকল্যাণ দপ্তরের দুই কর্মী। তবে তদন্ত প্রক্রিয়া এখনও শুরু হয়নি। কৃষ্ণাপ্পা আরও জানান, ১০ দিন পরেই মল্লিকার্জুনের অবসর নেওয়ার কথা ছিল। সেক্ষেত্রে পেনশন নিয়ে সমস্যার কোনো সম্ভাবনা নেই।