ছোটপর্দায় অ্যাকশন হিরো ‘পরশুরাম’ হয়ে ফিরেছেন ইন্দ্রজিৎ বোস। সেই জার্নির গল্প শোনালেন অভিনেতা।
ছোটপর্দায় অ্যাকশন হিরো ‘পরশুরাম’ হয়ে ফিরেছেন ইন্দ্রজিৎ বোস। সেই জার্নির গল্প শোনালেন অভিনেতা।
বিরতির পর ছোটপর্দায় ‘পরশুরাম’ হয়ে ফেরার অভিজ্ঞতা কেমন?
এই প্রজেক্টটা আমার কাছে স্পেশাল। এর একটা সিনেম্যাটিক অ্যাপ্রোচ রয়েছে। ওয়েবের মতো অ্যাকশন রয়েছে। পরশুরাম শুধু ঘরের সমস্যা সামলায় না। বাইরে গিয়ে মারপিটও করছে। এটা একটা লার্জার দ্যান লাইফ প্রজেক্ট।
ছকভাঙা ধারাবাহিক?
অবশ্যই। ‘পরশুরাম’ ছকভাঙা ধারাবাহিক। ছক ভেঙেছেন নির্মাতা স্নেহাশিস চক্রবর্তী। তার প্রমাণ প্রথম সপ্তাহ থেকেই টিআরপি তালিকায় বেশ ভালো ফলাফল।
সেটা কি দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে?
এই ধারাবাহিকটা এতটাই আলাদা যে, অন্য কিছু ভাবার অবকাশ নেই। এই কাজের প্যাটার্নটা ভীষণ এনজয় করছি।
ধারাবাহিক বন্ধ হয়ে গেলে নিজের জায়গা হারিয়ে যাওয়ার ভয় হয়?
(হেসে) আমার ধারাবাহিকগুলো কিন্তু টিআরপি কমার জন্য বন্ধ হয়নি। দর্শক আমাকে বহু বছর ধরে দেখতে দেখতে বিরক্ত হয়ে গিয়েছেন। তাই দু-আড়াই বছর পরে প্রযোজকও ভেবেছেন নতুন কোনও প্রজেক্ট শুরু করা দরকার। কোনও কিছু শেষ না হলে নতুন কিছু শুরু হতে পারে না। তাই নতুন শুরুর জন্য জায়গা ছেড়ে দিতে হয়।
ছোটপর্দা এবং বড়পর্দার বিভাজন কীভাবে দেখেন?
অভিনয় বড়পর্দাতেও করতে হয়, ছোটপর্দাতেও করতে হয়। দুই মাধ্যমেই দর্শক আমাকে পছন্দ এবং অপছন্দ দুইই করেন। আমার কাছে বড়পর্দায় কাজের সুযোগ কিন্তু টেলিভিশনের মাধ্যমেই এসেছে। কাজের মধ্যে থাকি, এটাই বড় কথা। ‘পরশুরাম’-এর সঙ্গে আমার কাছে চারটি সিরিয়ালের অফার এসেছিল।
তার মধ্যে থেকে এই ধারাবাহিক বেছে নিলেন কেন?
বাংলা টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রিতে সবাই খুব নিরাপদ থাকতে চায়। কিন্তু, স্নেহাশিসদা গতানুগতিকতার বাইরে গিয়ে ভাবতে পারেন।
আপনি নাকি খুব তাড়াতাড়ি বিয়ে করতে চলেছেন?
ব্যক্তিগত সম্পর্ক একটু রাখঢাক করে রাখতেই পছন্দ করি। আমি খুব রিজার্ভড এবং বোরিং একটা মানুষ। সম্পর্কে আছি। তবে উল্টো দিকের মানুষটার কথাই এই ব্যাপারে শিরোধার্য। উনি যেদিন চাইবেন তখনই চারহাত এক হবে (হাসি)।
পূর্বাশা দাস