নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: হাতে গরম সরকারি চাকরির টোপ। সেই জন্য আট লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন গাংনাপুরের এক যুবক। যদিও কিছুদিন পরই বুঝতে পারেন, প্রতারিত হয়েছেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে বারাসত থেকে শেখ রবিউল ওরফে দর্শন নামে এক প্রতারককে গ্রেপ্তার করল রানাঘাট পুলিস জেলার সাইবার ক্রাইম বিভাগ। বৃহস্পতিবার ধৃতকে কল্যাণী মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক চারদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, গাংনাপুরের ওই যুবক গত ২৩ জানুয়ারি কল্যাণীর সাইবার ক্রাইম থানায় প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন। সেই ঘটনার তদন্তে নেমেই রবিউলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের কাজিপাড়ার বাসিন্দা।
প্রতারিত যুবক জানান, বছরখানেক আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর সঙ্গে রবিউলের পরিচয় হয়। সে নিজেকে পদস্থ সরকারি আধিকারিক পরিচয় দিয়ে প্রতারণার ফাঁদ পাতে। রাজ্য সরকারের প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তরে চাকরি দেওয়ার নামে বেশ কয়েক দফায় আট লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। দিনের পর দিন পেরিয়ে গেলেও চাকরি না পেয়ে তিনি বুঝতে পারেন প্রতারিত হয়েছেন। এরপরই তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে নেমে অভিযুক্তকে চিহ্নিত করে পুলিস। বুধবার বারাসতে হানা দিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে একাধিক নকল নিয়োগপত্র, আটটি এটিএম কার্ড, দু’টি মোবাইল ও বেশ কিছু নথি উদ্ধার হয়েছে। সে একাই মানুষকে চাকরির টোপ দিয়ে প্রতারণা করত, নাকি সে কোনও বড় চক্রের সঙ্গে যুক্ত-তা জানতে পুলিস জেরা শুরু করেছে।
২০২৪ সালে ৫২টি সাইবার অপরাধের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করেছে পুলিস। তাতে ৪০জন অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হয়েছে। সেইসঙ্গে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে। চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণাচক্রের একাধিক অভিযানে এই সাফল্য পেয়েছে রানাঘাট পুলিস জেলার সাইবার ক্রাইম থানা।
প্রতারিত যুবক জানান, বছরখানেক আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর সঙ্গে রবিউলের পরিচয় হয়। সে নিজেকে পদস্থ সরকারি আধিকারিক পরিচয় দিয়ে প্রতারণার ফাঁদ পাতে। রাজ্য সরকারের প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তরে চাকরি দেওয়ার নামে বেশ কয়েক দফায় আট লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। দিনের পর দিন পেরিয়ে গেলেও চাকরি না পেয়ে তিনি বুঝতে পারেন প্রতারিত হয়েছেন। এরপরই তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে নেমে অভিযুক্তকে চিহ্নিত করে পুলিস। বুধবার বারাসতে হানা দিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে একাধিক নকল নিয়োগপত্র, আটটি এটিএম কার্ড, দু’টি মোবাইল ও বেশ কিছু নথি উদ্ধার হয়েছে। সে একাই মানুষকে চাকরির টোপ দিয়ে প্রতারণা করত, নাকি সে কোনও বড় চক্রের সঙ্গে যুক্ত-তা জানতে পুলিস জেরা শুরু করেছে।
২০২৪ সালে ৫২টি সাইবার অপরাধের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করেছে পুলিস। তাতে ৪০জন অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হয়েছে। সেইসঙ্গে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে। চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণাচক্রের একাধিক অভিযানে এই সাফল্য পেয়েছে রানাঘাট পুলিস জেলার সাইবার ক্রাইম থানা।



