নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গোয়েন্দাদের সোর্স-নেটওয়ার্ক বাড়াতে নির্দেশ দিচ্ছেন কলকাতার নতুন পুলিস কমিশনার মনোজ ভার্মা। আর জি কর কাণ্ডে বিতর্কের পর কলকাতার পুলিস কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি। তারপর থেকে প্রায় নিয়ম করে কলকাতা পুলিসের একের পর এক ইউনিট পরিদর্শনে যাচ্ছেন তিনি। প্রতিটি ক্ষেত্রেই নতুন সিপি বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন। সিপি হিসেবে মনোজ ভার্মার তিন মাসের মেয়াদকালে মোদ্দা কথা হল, ‘গোয়েন্দাদের সোর্স-নেটওয়ার্ক বাড়াতে হবে।’
Advertisement
কসবায় গুলি-কাণ্ডের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে নতুন সিপির এই বার্তা তাৎপর্যপূর্ণ। এই বার্তা থেকে একটা কথা পরিষ্কার, গোয়েন্দাদের সোর্স-নেটওয়ার্কে খুশি নন তিনি। উল্লেখ্য, কসবা গুলিকাণ্ডের পর শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরেও কলকাতা পুলিসের গোয়েন্দাদের ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।
সম্প্রতি কলকাতা পুলিসের এক গোয়েন্দা ইউনিট পরিদর্শনে গিয়ে গোয়েন্দাদের উদ্ধুদ্ধ করতে সিপি লালগড় আন্দোলনকে কেন্দ্র করে জঙ্গলমহলে মাওবাদী দমনে পুলিসের সাফল্যের কাহিনী তুলে ধরেন। সিপির কথায়, এসপি হিসেবে পশ্চিম মেদিনীপুরের দায়িত্ব নেওয়ার পর, প্রথমে আমরা মাওবাদীদের গোপন খবর পাচ্ছিলাম না। ফলে সাফল্য অধরা ছিল। তারপর সোর্স নেটওয়ার্ক বাড়াতে বাড়তি নজর দেওয়া হল। তারপর একের পর এক সাফল্য পেতে শুরু করে বাহিনী। সিপির কথায়, ‘ইন্টেলিজেন্স ইনপুট’ হাতে এলে অ্যাকশন নিতে বেশি সময় লাগে না।
কলকাতা পুলিসের এক সূত্র জানাচ্ছে, সারা জীবন গোয়েন্দা বিভাগে কাজ করা দুঁদে গোয়েন্দাদের থানাতে বদলি করা হয়েছে। আর থানায় কাজ করা অফিসারদের গোয়েন্দা বিভাগের মাথায় বসানো হয়েছে। হালের এই প্রবণতাটাই মারাত্মক। এর ফলে ‘ইন্টেলিজেন্স ইনপুট’ আসছে না। আবার অফিসারদের রাজনৈতিক আনুগত্য দেখে পোস্টিং দেওয়ার একটা ব্যাপারও আছে। পাশাপাশি লালবাজারের মাথায় বসে থাকা কর্তারা জানেন না, তাঁর কোন অফিসারের কী ক্ষমতা বা যোগ্যতা।
তবে মনোজ ভার্মা সিপি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে একটু করে হলেও পরিস্থিতিতে বদল আসছে। সম্প্রতি সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ভাঙড়ের দুই থানার এবং গল্ফগ্রিন থানার ওসিকে রাতারাতি বদলি করে বাহিনীকে কড়া প্রশাসক হিসেবে বার্তা দিয়েছেন নতুন সিপি।
সম্প্রতি কলকাতা পুলিসের এক গোয়েন্দা ইউনিট পরিদর্শনে গিয়ে গোয়েন্দাদের উদ্ধুদ্ধ করতে সিপি লালগড় আন্দোলনকে কেন্দ্র করে জঙ্গলমহলে মাওবাদী দমনে পুলিসের সাফল্যের কাহিনী তুলে ধরেন। সিপির কথায়, এসপি হিসেবে পশ্চিম মেদিনীপুরের দায়িত্ব নেওয়ার পর, প্রথমে আমরা মাওবাদীদের গোপন খবর পাচ্ছিলাম না। ফলে সাফল্য অধরা ছিল। তারপর সোর্স নেটওয়ার্ক বাড়াতে বাড়তি নজর দেওয়া হল। তারপর একের পর এক সাফল্য পেতে শুরু করে বাহিনী। সিপির কথায়, ‘ইন্টেলিজেন্স ইনপুট’ হাতে এলে অ্যাকশন নিতে বেশি সময় লাগে না।
কলকাতা পুলিসের এক সূত্র জানাচ্ছে, সারা জীবন গোয়েন্দা বিভাগে কাজ করা দুঁদে গোয়েন্দাদের থানাতে বদলি করা হয়েছে। আর থানায় কাজ করা অফিসারদের গোয়েন্দা বিভাগের মাথায় বসানো হয়েছে। হালের এই প্রবণতাটাই মারাত্মক। এর ফলে ‘ইন্টেলিজেন্স ইনপুট’ আসছে না। আবার অফিসারদের রাজনৈতিক আনুগত্য দেখে পোস্টিং দেওয়ার একটা ব্যাপারও আছে। পাশাপাশি লালবাজারের মাথায় বসে থাকা কর্তারা জানেন না, তাঁর কোন অফিসারের কী ক্ষমতা বা যোগ্যতা।
তবে মনোজ ভার্মা সিপি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে একটু করে হলেও পরিস্থিতিতে বদল আসছে। সম্প্রতি সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ভাঙড়ের দুই থানার এবং গল্ফগ্রিন থানার ওসিকে রাতারাতি বদলি করে বাহিনীকে কড়া প্রশাসক হিসেবে বার্তা দিয়েছেন নতুন সিপি।



