Bartaman Logo
২৮ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গলসি ও আউশগ্রামের মাঝে খড়ি নদীর উপর স্থায়ী সেতু অধরাই

গলসি-১ ব্লকের পারাজ ও আউশগ্রামের এড়াল পঞ্চায়েতের মাঝ দিয়ে বয়ে গিয়েছে খড়ি নদী। পড়াশোনা, চাষবাস সহ নানা কাজে বহু মানুষকে রোজ নদী পেরোতে হয়। কিন্তু বহুদিন ধরে খড়ি নদীর উপর একটি কংক্রিটের সেতুর দাবি জানানো হলেও তা পূরণ হয়নি।

গলসি ও আউশগ্রামের মাঝে খড়ি নদীর উপর স্থায়ী সেতু অধরাই
  • ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, মানকর: গলসি-১ ব্লকের পারাজ ও আউশগ্রামের এড়াল পঞ্চায়েতের মাঝ দিয়ে বয়ে গিয়েছে খড়ি নদী। পড়াশোনা, চাষবাস সহ নানা কাজে বহু মানুষকে রোজ নদী পেরোতে হয়। কিন্তু বহুদিন ধরে খড়ি নদীর উপর একটি কংক্রিটের সেতুর দাবি জানানো হলেও তা পূরণ হয়নি। বিষয়টি নিয়ে এলাকার বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ। যদিও গলসির বিধায়ক নেপাল ঘোড়ুই বলেন, ওই সেতুর বিষয়টি পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদে দেওয়া আছে। এনকোয়ারিও হয়েছে।
Advertisement
এই নদীর উপর একটি অস্থায়ী সেতু গলসি ও আউশগ্রামের সংযোগ রক্ষা করছে। প্রতিদিন কয়েকহাজার মানুষ সেটি ব্যবহার করেন। স্থানীয়রা জানান, স্থায়ী সেতু হলে সরাসরি গাড়ি নিয়ে জাতীয় সড়কে যাওয়া যাবে। সেইসঙ্গে এই পথ দিয়ে অভিরামপুর হয়ে বোলপুর যেতে সুবিধা হবে। এলাকার বাসিন্দা রাজীব মুখোপাধ্যায় বলেন, এখন প্রায় সাত কিমির বেশি পথ ঘুরে গলসির সিমনোড় হয়ে জাতীয় সড়কে গাড়ি নিয়ে যেতে হয়। স্থায়ী সেতু হলে ঘুরপথে যেতে হবে না। তাতে সময় ও টাকা-দুটোই বাঁচবে। এলাকার বহু মানুষের জমি নদীর ওপারে রয়েছে। অস্থায়ী সেতু দিয়ে জমি থেকে ধান ও অন্য ফসল বাড়িতে আনা যায় না। ঘুরপথে কোঁদাইপুর হয়ে নিয়ে আসতে হয়। ফলে খরচ বেশি হওয়ায় চাষিদের লাভ কমে যাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, এলাকার বহু পড়ুয়া নিয়মিত জাতীয় সড়ক থেকে বাস ধরে বর্ধমান বা দুর্গাপুরে পড়তে যায়। কিন্তু সেতুর অভাবে অতিরিক্ত সাত কিমি রাস্তা ঘুরে ওই সড়কে পৌঁছতে হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতু নিয়ে প্রশাসনের কাছে একাধিকবার দরবার করা হয়েছে। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। অস্থায়ী সেতুর দু’প্রান্তের বেশ কিছুটা অংশ ক্ষয়ে গিয়েছে। কয়েকদিন আগে খড়ি নদীতে বন্যার ফলে সেতুর খুঁটিও নড়বড়ে হয়ে গিয়েছে। ফলে এলাকার মানুষকে ঝুঁকি নিয়েই পারাপার করতে হচ্ছে। এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, অস্থায়ী সেতুর দু’ধারে রেলিং নেই। তাই সেটায় উঠলে ভয় লাগে। স্থায়ী সেতু হলে সবার উপকার হবে।-নিজস্ব চিত্র
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ