Bartaman Logo
৩০ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধানে জিটিএর বিকল্প খুঁজছেন গুরুং

পাহাড়ে উন্নয়নের জন্য জিটিএ নয়, অন্যকোনো স্থায়ী সমাধান চাইছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকের পর একথা জানান দলের শীর্ষনেতা বিমল গুরুং।

পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধানে  জিটিএর বিকল্প খুঁজছেন গুরুং
  • ৩০ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পাহাড়ে উন্নয়নের জন্য জিটিএ নয়, অন্যকোনো স্থায়ী সমাধান চাইছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকের পর একথা জানান দলের শীর্ষনেতা বিমল গুরুং। অক্টোবর মাসে মোর্চার প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠান। সেইসময় পাহাড়ে যাওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন তিনি। এদিন ময়দানে পূর্তদপ্তরের টেন্টে আয়োজিত এই বৈঠকে মোর্চা নেতা রোশন গিরি এবং রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে অর্জুন আগামী সোমবার পাহাড়ে যাচ্ছেন সেখানকার পরিবহণ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে। 

Advertisement

বিমল গুরুং এদিন পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ ও আইন প্রতিমন্ত্রী বিরাজ বিশ্বাসের সঙ্গে বৈঠক করেন। পাহাড়ের পঞ্চায়েতগুলির কাজকর্মের উন্নতি নিয়ে দিলীপবাবুর সঙ্গে বৈঠক হয়। পূর্বতন জমানায় মোর্চা নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা নিয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর আলোচনা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী সামজিক মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে বিমল গুরুংয়ের বৈঠকের ভিডিয়ো প্রকাশ করলেও এই ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেননি।
রাজ্যে বিজেপি সরকার তৈরির পর নির্বাচিত জিটিএর সিইও অনীত থাপা পদত্যাগ করেন। ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার নেতা রাজ্যে তৃণমূল জমানায় সরকারের সঙ্গে বোঝাপড়া করে ক্ষমতায় আসেন। কিন্তু বিধানসভা ভোটে পাহাড়ের তিনটি আসনে বিজেপি জেতে। এই জয়ের পিছনে বিমল গুরুংয়ে দলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। মোর্চার মূল দাবি পৃথক গোর্খাল্যান্ড রাজ্য গঠন হলেও এই দাবির বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।কেন্দ্রের সঙ্গে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে গোর্খাল্যান্ড ইস্যুর সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। 
তবে তাঁরা জিটিএর বদলে অন্য঩কোনো ব্যবস্থার মাধ্যমে পাহাড়ের উন্নয়ন চাইছেন, এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ইউপিএ জমানায় ত্রিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে জিটিএ গঠিত হয়। পাহাড়ে প্রশাসনিক অনেক ক্ষমতা দেওয়া হয় এই সংস্থাকে। ২০২২ সালে ‘জিটিএ ফর ভোট’ হয়। বিমল গুরুং এদিন আরও বলেন, চা বাগান, শিক্ষক নিয়োগ, পরিবহণ ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তৃণমূল জমানায় জিটিএতে যেসব দুর্নীতি হয়েছে, তারও বিস্তারিত তদন্ত চান তাঁরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ