সংবাদদাতা, ঘাটাল: ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য রাজ্য বাজেটে টাকা বরাদ্দ হওয়ার পর আজ রবিবার ঘাটাল শহরের টাউন হলে কমিটির পূর্ণাঙ্গ মিটিং রয়েছে। সেই মিটিংয়ে প্রশাসনিক অন্যান্য কর্তাব্যক্তির সঙ্গে ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারীও (দেব) উপস্থিত থাকবেন।
Advertisement
শাসক দলের সিংহভাগ নেতা সহ ঘাটাল মহকুমার সর্বস্তরের মানুষ স্বীকার করেন, দেব সক্রিয় না হলে রাজ্য বাজেটে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য অর্থ বরাদ্দ হতো না। প্রায় ৭০ বছর পর কাজ শুরু করার পেছনে পুরো কৃতিত্বই দেবের। কারণ, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে দেব যদি দলের মধ্যে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান কার্যকরী করার বিষয়ে দাবি তুলে ‘বিদ্রোহ’ ঘোষণা না করতেন, তাহলে এত তাড়াতাড়ি ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ শুরু হতো না। দেব দলীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছিলেন, বার বার ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান ইস্যু নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে তাঁর ভালো লাগে না। ভোটারদের ভুয়ো আশ্বাসে তিনি বিশ্বাসী নন। তাই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে ঘাটালবাসীকে স্পষ্ট ধারণা না দিতে পারলে তিনি ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। দল তাঁর প্রস্তাবটি গ্রহণ করে। তারপরই ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ আরামবাগের একটি জনসভা থেকে দেবকে পাশে রেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সরকারের অর্থতেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণ করার আশ্বাস দেন। সেই মতো লোকসভার নির্বাচন শেষ হওয়ার পরই রাজ্য সরকার ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে মাঠে নামে। সার্ভে শুরু হয়। বাজেটে টাকাও বরাদ্দ হয়েছে। আজকের ওই প্রশাসনিক মিটিংয়ে থাকবেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, সেচদপ্তরের প্রধান সচিব মণীশ জৈন, পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক, মহকুমা শাসক, সেচদপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ১৩টি ব্লক ও তিনটি পুরসভার ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান ইম্পিমেন্টেশন কমিটি ও সাব কমিটির সদস্যরা। মিটিংটি হবে ঘাটাল শহরের কোন্নগরে পুরসভার টাউন হলে।



