নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে গেরুয়া গড় কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভাতেই দু’টি মণ্ডলের সভাপতি ঘোষণা করতে পারল না বিজেপি। দলের পুরো নদীয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলায় মোট তিনটি মণ্ডলের সভাপতি নাম ঘোষণা করা যায়নি। এই সাংগঠনিক জেলায় ২২টি মণ্ডলের সভাপতিদের নাম ঘোষণা হতেই দলের অন্দরে ক্ষোভের আগুন ছড়িয়েছে। আদৌ কি কর্মীদের সম্মতিক্রমে গণতান্ত্রিক উপায়ে নেতৃত্ব নির্বাচন হয়েছে? এই প্রশ্নই তুলছে দলের একাংশ।
Advertisement
বিজেপি সূত্রে খবর, কর্মীদের আপত্তি সত্ত্বেও বেশকিছু মণ্ডলে সভাপতি বদল হয়েছে। আবার যে সমস্ত জায়গায় মণ্ডল সভাপতি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, সেখানেও বিতর্ক দানা বেঁধেছে। কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, ভোটাভুটিতে যাঁকে সভাপতি চাওয়া হয়েছিল, তাঁকে দায়িত্ব না দিয়ে অন্য কাউকে পদে বসানো হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই কোন্দল গেরুয়া শিবিরকে বড় সমস্যায় ফেলতে পারে।
বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি সৈকত সরকার অবশ্য বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশিকা মেনেই মণ্ডল সভাপতি বাছাই হয়েছে। যা আমাদের সংগঠনকে আরও মজবুত করবে। তিনটি মণ্ডলের সভাপতির নাম ঘোষণা বাকি রয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে ওই নাম ঘোষণা হয়ে যাবে। নেতা-কর্মীদের সবার সম্মতিক্রমে সভাপতি বাছাই হয়েছে।
বিজেপির নদীয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলায় ২৫টি মণ্ডল রয়েছে। যার মধ্যে রবিবার রাতে ২২টি মণ্ডলের সভাপতি ঘোষণা করা হয়। দায়িত্ব পেয়েছে ১২জন নতুন মুখ। প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় একজন করে মহিলাকে মণ্ডল সভাপতি করা হয়েছে। তেহট্ট বিধানসভার ২ ও ৩, পলাশীপাড়ার ২ ও ৪, কালীগঞ্জের ৩, নাকাশিপাড়ার ১, ২ ও ৩, চাপড়ার ২ ও ৩, কৃষ্ণনগর দক্ষিণের ২ ও ৩ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি বদল করা হয়েছে।
কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভার ১ ও ৩ নম্বর মণ্ডল এবং চাপড়া বিধানসভার ১ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি পদে নাম ঘোষণা হয়নি। ৩ নম্বর মণ্ডলের দায়িত্বে রয়েছেন পৃথ্বীরাজ চৌধুরী। সূত্রের খবর, এলাকার বিজেপি নেতৃত্ব অন্য একজনকে মণ্ডল সভাপতি হিসেবে চেয়েছিলেন। বিবাদ থাকায় নাম ঘোষণা হয়নি।
এদিকে, তেহট্ট বিধানসভার ১ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি পদে বদল আনা হয়নি। এনিয়ে সেখানে দলের একাংশ ক্ষুব্ধ। তাঁদের দাবি, কর্মীদের কথায় গুরুত্ব না দিয়ে সভাপতি নির্বাচন করা হয়েছে। ওই মণ্ডলের নন্দনপুরের আদি বিজেপি নেতা স্বপন সরকার বলেন, আমরা চেয়েছিলাম, অন্য কাউকে মণ্ডল সভাপতি করা হোক। কিন্তু আমাদের কথা শোনা হয়নি। এরকম হলে বিধানসভা নির্বাচনে ফল ভালো হবে না। অনেকেই দল থেকে বেরিয়ে যাবেন। কয়েকদিন আগেই ওই এলাকার দিঘলকান্দির প্রায় ২০০ বিজেপি কর্মী তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আদি বিজেপি নেতা বলেন, স্বজনপোষণ করে মণ্ডলের সভাপতি নির্বাচন করা হয়েছে। এভাবে চললে দলের ক্ষতি হবে। নেতৃত্ব ভোটের নামে প্রহসনের জন্য তৃণমূলকে আক্রমণ করে। অথচ দলের মণ্ডল সভাপতি নির্বাচনে ভোটের নাম করে প্রহসন হয়েছে।
বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি সৈকত সরকার অবশ্য বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশিকা মেনেই মণ্ডল সভাপতি বাছাই হয়েছে। যা আমাদের সংগঠনকে আরও মজবুত করবে। তিনটি মণ্ডলের সভাপতির নাম ঘোষণা বাকি রয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে ওই নাম ঘোষণা হয়ে যাবে। নেতা-কর্মীদের সবার সম্মতিক্রমে সভাপতি বাছাই হয়েছে।
বিজেপির নদীয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলায় ২৫টি মণ্ডল রয়েছে। যার মধ্যে রবিবার রাতে ২২টি মণ্ডলের সভাপতি ঘোষণা করা হয়। দায়িত্ব পেয়েছে ১২জন নতুন মুখ। প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় একজন করে মহিলাকে মণ্ডল সভাপতি করা হয়েছে। তেহট্ট বিধানসভার ২ ও ৩, পলাশীপাড়ার ২ ও ৪, কালীগঞ্জের ৩, নাকাশিপাড়ার ১, ২ ও ৩, চাপড়ার ২ ও ৩, কৃষ্ণনগর দক্ষিণের ২ ও ৩ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি বদল করা হয়েছে।
কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভার ১ ও ৩ নম্বর মণ্ডল এবং চাপড়া বিধানসভার ১ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি পদে নাম ঘোষণা হয়নি। ৩ নম্বর মণ্ডলের দায়িত্বে রয়েছেন পৃথ্বীরাজ চৌধুরী। সূত্রের খবর, এলাকার বিজেপি নেতৃত্ব অন্য একজনকে মণ্ডল সভাপতি হিসেবে চেয়েছিলেন। বিবাদ থাকায় নাম ঘোষণা হয়নি।
এদিকে, তেহট্ট বিধানসভার ১ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি পদে বদল আনা হয়নি। এনিয়ে সেখানে দলের একাংশ ক্ষুব্ধ। তাঁদের দাবি, কর্মীদের কথায় গুরুত্ব না দিয়ে সভাপতি নির্বাচন করা হয়েছে। ওই মণ্ডলের নন্দনপুরের আদি বিজেপি নেতা স্বপন সরকার বলেন, আমরা চেয়েছিলাম, অন্য কাউকে মণ্ডল সভাপতি করা হোক। কিন্তু আমাদের কথা শোনা হয়নি। এরকম হলে বিধানসভা নির্বাচনে ফল ভালো হবে না। অনেকেই দল থেকে বেরিয়ে যাবেন। কয়েকদিন আগেই ওই এলাকার দিঘলকান্দির প্রায় ২০০ বিজেপি কর্মী তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আদি বিজেপি নেতা বলেন, স্বজনপোষণ করে মণ্ডলের সভাপতি নির্বাচন করা হয়েছে। এভাবে চললে দলের ক্ষতি হবে। নেতৃত্ব ভোটের নামে প্রহসনের জন্য তৃণমূলকে আক্রমণ করে। অথচ দলের মণ্ডল সভাপতি নির্বাচনে ভোটের নাম করে প্রহসন হয়েছে।



