Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে কাঁচা রাস্তা, পাথরপ্রতিমায় জল পেরিয়েই দেহ নিয়ে যেতে হচ্ছে শ্মশানে

ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে কাঁচা রাস্তা, পাথরপ্রতিমায় জল পেরিয়েই দেহ নিয়ে যেতে হচ্ছে শ্মশানে
  • ৫ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: ঘূর্ণিঝড় ডানার প্রভাবে জলোচ্ছ্বাস হওয়ায় ভেঙে গিয়েছে শ্মশানে যাওয়ার রাস্তা। যার জেরে বিপাকে পড়ছেন শ্মশানযাত্রীরা।  মৃতদেহ কাঁধে নিয়ে প্রায় কোমর সমান জল পেরিয়ে যেতে হচ্ছে শ্মশানে। পাথরপ্রতিমার দুর্বাচটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৭৯ ও ৮০ নম্বর বুথের প্রায় ৫০০টি পরিবার মৃতদেহ নিয়ে ওই শ্মশানে যান। স্থানীয় বাসিন্দা অমলেন্দু দাস বলেন, ‘গ্রামের ইটের রাস্তা থেকে শ্মশানে যেতে হলে প্রায় ২০০ মিটার মাটির রাস্তা দিয়ে হেঁটে যেতে হয়। মাটির রাস্তা প্রায় ১৫ মিটার ভেঙে গিয়েছে। এখন কোমর সমান জল পেরিয়ে শ্মশানে মৃতদেহ নিয়ে যেতে হয়। নদীতে জোয়ার থাকলে প্রায় দু’ঘণ্টা মৃতদেহ নিয়ে ইটের রাস্তায় বসে থাকতে হয়। নদীতে ভাটা পড়লে তবেই শ্মশানে যাওয়া যায়। বিষয়টি বিভিন্ন দপ্তরে জানানো হয়েছে কিন্তু সুরাহা হয়নি।’
Advertisement
গত প্রায় ১৪ বছর আগে সেলেমারি নদীর চরে শ্মশানটি তৈরি করা হয়েছিল। সেই সময় সরু আলবাঁধ দিয়ে হেঁটে গ্রামবাসীরা শ্মশানে গিয়ে মৃতদেহ দাহ করতেন। প্রায় বছর চারেক পর জমি অধিগ্রহণ করে একটি মাটির রাস্তা তৈরি করা হয়। এর আগেও ঘূর্ণিঝড়ের সময় এই শ্মশানে যাওয়ার রাস্তাটি ভেঙে গিয়েছিল। তখন গ্রামবাসীরা নিজেদের উদ্যোগে তা মেরামত করে নিয়েছিলেন। কিন্তু ডানা ঘূর্ণিঝড়ে আবারও রাস্তাটি ভেঙে গিয়েছে। বর্তমান ওই ভাঙা অংশ থেকে ভাটা ও জোয়ারের সময় নদীর জল যাওয়া আসা করে। 
পাথরপ্রতিমা পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য দুলাল মণ্ডল বলেন, ‘বিষয়টি বিভিন্ন দপ্তরে জানানো হয়েছে। আশা করছি শীঘ্রই রাস্তাটি মেরামত করা হবে।’ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মনুশ্রী মণ্ডল বলেন, ‘বিষয়টি জানা নেই। পঞ্চায়েত সমিতিকে কেউ জানায়নি। তবে বিষয়টি যেহেতু শুনলাম অবশ্যই খোঁজ নিয়ে দেখব। সত্যি যদি কোনও সমস্যা হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই তাঁর সমাধান করা হবে।’ -নিজস্ব চিত্র
সম্পর্কিত সংবাদ