পাটনা: পদাধিকার বলে তিনি মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। তা সত্ত্বেও নিজের ইচ্ছেতে কোনও কাজ করতে পারছেন না নীতীশ কুমার। কারণ কয়েকজন ঘনিষ্ঠ তাঁকে ‘বন্দি’ করে রেখেছেন। বিহারের মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন।
Advertisement
সম্প্রতি নীতীশের ফের জোট বদলের সম্ভাবনা ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছে। শনিবার এব্যাপারে প্রশ্নের উত্তরে তেজস্বী বলেছেন, ‘এসব জল্পনার কোনও মানেই হয় না। নীতীশ কুমার আর সজ্ঞানে নেই। তাঁর পক্ষে আর বিহার চালানো সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। দলের চারজন নেতা নীতীশ কুমারকে ঘিরে রেখেছে। তাঁদের মধ্যে দু’জন দিল্লি ও দু’জন বিহারে রয়েছেন। তাঁরাই সমস্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।’ নিজের বক্তব্যের সমর্থনে সম্প্রতি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের পাঠানোর চিঠির প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন লালু-পুত্র। তিনি জানান, ‘বাবাসাহেব আম্বেদকরের অবমাননা কাণ্ডের জেরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেডিইউ সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীশজিকে চিঠি লিখেছিলেন কেজরিওয়াল। সেখানে এনডিএ জোটে থাকার ব্যাপারে নীতীশজিকে ফের ভেবে দেখার আর্জি জানিয়েছিলেন আপ নেতা। কিন্তু, সেই চিঠির উত্তর দিলেন কে? সঞ্জয় ঝা। কে এই সঞ্জয় ঝা?’
রাজনৈতিক মহলের মতে, কেজরির ওই চিঠির জবাব নীতীশ নিজেই দেবেন বলে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু, দেখা যায়, দলের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় ঝা পাল্টা চিঠি লিখেছেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। এই বিষয়টি নিয়েই নীতীশের সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। এই ঘটনাকে সামনে রেখে তেজস্বীও নীতীশের উপর চাপ বাড়ালেন বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, জেডিইউর ওই রাজ্যসভার সাংসদ পাল্টা চিঠিতে কেজরির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে অমিত শাহের পক্ষ নেন। শুধু তাই নয়, করোনা সংক্রমণের সময় বিহারের পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে রাজধানীতে খারাপ ব্যবহারের অভিযোগও তোলেন।
রাজনৈতিক মহলের মতে, কেজরির ওই চিঠির জবাব নীতীশ নিজেই দেবেন বলে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু, দেখা যায়, দলের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় ঝা পাল্টা চিঠি লিখেছেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। এই বিষয়টি নিয়েই নীতীশের সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। এই ঘটনাকে সামনে রেখে তেজস্বীও নীতীশের উপর চাপ বাড়ালেন বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, জেডিইউর ওই রাজ্যসভার সাংসদ পাল্টা চিঠিতে কেজরির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে অমিত শাহের পক্ষ নেন। শুধু তাই নয়, করোনা সংক্রমণের সময় বিহারের পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে রাজধানীতে খারাপ ব্যবহারের অভিযোগও তোলেন।



