সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: ঘন কুয়াশার কারণে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর চালু হল নবদ্বীপ, মায়াপুর এবং স্বরূপগঞ্জ ঘাটের মধ্যে ফেরি চলাচল। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে অসংখ্য মানুষকে বিভিন্ন ফেরিঘাটে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। কুয়াশা কেটে যাওয়ার পর সকাল ১০টা থেকে ভাগীরথীতে নৌকা ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক হয়।
Advertisement
ফেরি পরিষেবা বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েন নবদ্বীপ ও মায়াপুরে ঘুরতে আসা পুণ্যার্থী, পর্যটক থেকে নিত্যযাত্রীরা। নেতাজির জন্মদিবস পালন করতে মায়াপুর ও স্বরূপগঞ্জ থেকে ছাত্রছাত্রীরা নবদ্বীপে স্কুলে আসতে পারেনি।
এদিন কুয়াশা এতটাই ঘন ছিল যে, নদীর এক প্রান্ত থেকে বিপরীত প্রান্তের কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। এ কারণে মাঝিরা নৌকো চালাতে সাহস পাননি। ঘন কুয়াশায় দিক ঠিক রাখাটাই অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। এদিন দূরত্ব কম থাকায় নবদ্বীপ ঘাট থেকে প্রথম নৌকো স্বরূপগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তারপর কিছুটা সময় পর মায়াপুরের মধ্যেও ফেরি চলাচল শুরু হয়।
নবদ্বীপ ফেরিঘাট জলপথ পরিবহণ সমবায় সমিতির সম্পাদক সুশান্ত হালদার বলেন, ভাগীরথীর এপার থেকে ওপারের ফেরিঘাটের আলো দেখা গেলে তবেই আমরা বুঝতে পারি যে, দৃশ্যমানতা স্বাভাবিক হয়েছে। তখনই নৌকো বা লঞ্চ চালানো হয়। নচেৎ ঘন কুয়াশার মধ্যে নৌকা চালালে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
এদিন সকালে মায়াপুর ফেরিঘাটে লঞ্চের জন্য অপেক্ষা করছিল দশম শ্রেণির ছাত্র অনিক হালদার, শোভন দেবনাথ, সায়ন ঘোষরা। তারা জানায়, নবদ্বীপে গৃহশিক্ষকের কাছে পড়তে যাব। কিন্তু কুয়াশার কারণে লঞ্চ চলছে না। ফেরিঘাটে এসে এই অবস্থা দেখে বাড়িতে ফোন করে বিষয়টা জানিয়েছি। এই সময়ে মাঝেমধ্যেই কুয়াশার কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। প্রতিদিনই আমাদের নদী পার হয়ে স্কুলে কিংবা গৃহশিক্ষকের কাছে যেতে হয়। মাঝেমধ্যেই কুয়াশার কারণে সমস্যায় পড়তে হয়।
মালদা গাজোল থেকে এসেছিলেন শীলা বৈদ্য। তিনি বলেন, আমরা ১৮ জন এসেছি। সকালে ট্রেন থেকে নবদ্বীপ ধাম স্টেশনে নেমেছি মায়াপুর যাব বলে। প্রায় তিন ঘণ্টার বেশি হয়ে গেল দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু এত ঘন কুয়াশা যে, নৌকো বা লঞ্চ চলছে না। কিছুই করার নেই। অনেক দেরি হয়ে গেল। বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলোনি থেকে মায়াপুর ইসকনের মন্দিরে যাবেন বলে এসেছিলেন সুমন্ত দাঁ। তিনি বলেন, আমি ইসকনে দীক্ষিত। মায়াপুর মন্দিরে যাব। আরতি দর্শন করব বলে ভোর সওয়া ৫টার ট্রেন ধরে এসেছিলাম। এখানে এসে প্রায় তিন ঘণ্টার বেশি দাঁড়িয়ে আছি। কখন কুয়াশা কাটবে লঞ্চ ছাড়বে জানি না। এ যাত্রায় আরতি দর্শন হবে না।
এদিন কুয়াশা এতটাই ঘন ছিল যে, নদীর এক প্রান্ত থেকে বিপরীত প্রান্তের কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। এ কারণে মাঝিরা নৌকো চালাতে সাহস পাননি। ঘন কুয়াশায় দিক ঠিক রাখাটাই অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। এদিন দূরত্ব কম থাকায় নবদ্বীপ ঘাট থেকে প্রথম নৌকো স্বরূপগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তারপর কিছুটা সময় পর মায়াপুরের মধ্যেও ফেরি চলাচল শুরু হয়।
নবদ্বীপ ফেরিঘাট জলপথ পরিবহণ সমবায় সমিতির সম্পাদক সুশান্ত হালদার বলেন, ভাগীরথীর এপার থেকে ওপারের ফেরিঘাটের আলো দেখা গেলে তবেই আমরা বুঝতে পারি যে, দৃশ্যমানতা স্বাভাবিক হয়েছে। তখনই নৌকো বা লঞ্চ চালানো হয়। নচেৎ ঘন কুয়াশার মধ্যে নৌকা চালালে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
এদিন সকালে মায়াপুর ফেরিঘাটে লঞ্চের জন্য অপেক্ষা করছিল দশম শ্রেণির ছাত্র অনিক হালদার, শোভন দেবনাথ, সায়ন ঘোষরা। তারা জানায়, নবদ্বীপে গৃহশিক্ষকের কাছে পড়তে যাব। কিন্তু কুয়াশার কারণে লঞ্চ চলছে না। ফেরিঘাটে এসে এই অবস্থা দেখে বাড়িতে ফোন করে বিষয়টা জানিয়েছি। এই সময়ে মাঝেমধ্যেই কুয়াশার কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। প্রতিদিনই আমাদের নদী পার হয়ে স্কুলে কিংবা গৃহশিক্ষকের কাছে যেতে হয়। মাঝেমধ্যেই কুয়াশার কারণে সমস্যায় পড়তে হয়।
মালদা গাজোল থেকে এসেছিলেন শীলা বৈদ্য। তিনি বলেন, আমরা ১৮ জন এসেছি। সকালে ট্রেন থেকে নবদ্বীপ ধাম স্টেশনে নেমেছি মায়াপুর যাব বলে। প্রায় তিন ঘণ্টার বেশি হয়ে গেল দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু এত ঘন কুয়াশা যে, নৌকো বা লঞ্চ চলছে না। কিছুই করার নেই। অনেক দেরি হয়ে গেল। বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলোনি থেকে মায়াপুর ইসকনের মন্দিরে যাবেন বলে এসেছিলেন সুমন্ত দাঁ। তিনি বলেন, আমি ইসকনে দীক্ষিত। মায়াপুর মন্দিরে যাব। আরতি দর্শন করব বলে ভোর সওয়া ৫টার ট্রেন ধরে এসেছিলাম। এখানে এসে প্রায় তিন ঘণ্টার বেশি দাঁড়িয়ে আছি। কখন কুয়াশা কাটবে লঞ্চ ছাড়বে জানি না। এ যাত্রায় আরতি দর্শন হবে না।



