Bartaman Logo
৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কুলতলিতে ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা পরিষেবাই লক্ষ্য ঘাসফুল প্রার্থী গণেশচন্দ্র মণ্ডলের

সুন্দরবনের কুলতলিতে এসইউসিআই’য়ের পতন ঘটিয়ে জোড়াফুল ফুটিয়েছিলেন ভূমিপুত্র গণেশচন্দ্র মণ্ডল। এই বিধানসভা ভোটেও এই আসনে তাঁকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল।

কুলতলিতে ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা পরিষেবাই লক্ষ্য ঘাসফুল প্রার্থী গণেশচন্দ্র মণ্ডলের
  • ১৯ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বারুইপুর: সুন্দরবনের কুলতলিতে এসইউসিআই’য়ের পতন ঘটিয়ে জোড়াফুল ফুটিয়েছিলেন ভূমিপুত্র গণেশচন্দ্র মণ্ডল। এই বিধানসভা ভোটেও এই আসনে তাঁকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। গণেশবাবু দাপুটে বিধায়ক বলে এলাকায় পরিচিত। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে এবার বিজেপি প্রার্থী করেছে কুলতলিরই বাসিন্দা মাধবী মহলদারকে। তাঁর বাবা পেশায় কৃষক। মাধবীদেবী বাংলা, শিক্ষাবিজ্ঞান ও বৌদ্ধ পুঁথি নিয়ে পড়াশোনা করেন। এম এ পাশ করেছেন। এর আগে জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েতের প্রার্থী হয়েছিলেন। তিনি কুলতলিতে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল তৈরি ও মৈপীঠ-বারুইপুর রেলপথ চান। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী গণেশ মণ্ডল মডেল কুলতলি গড়ে তুলতে চান। দু’জনেই জোরকদমে নেমে পড়েছেন প্রচারে।

Advertisement

১৩টি পঞ্চায়েত নিয়ে কুলতলি বিধানসভা এলাকা। কুলতলির জালাবেড়িয়া দু’নম্বর পঞ্চায়েতের পশ্চিম গাবতলার বাসিন্দা মাধবী মহলদার। তাঁর মা সহ পরিবারের ৬ সদস্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। মাধবী পরিচারিকার কাজ করে নিজের পড়াশোনা চালিয়েছেন। বর্তমানে বাবা, ভাই আর দাদা আছেন। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়ী হন ৩৬ বছরের মাধবী। ২০২৩ সালে জেলা পরিষদের প্রার্থী হয়েছিলেন। বিজেপি প্রার্থী বলেন, ‘আমাকে মেরে হাসপাতালে পাঠিয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু লড়াই থেকে সরে যাইনি। বিধানসভায় নাম ঘোষণা হবে ভাবিনি। তবে লড়াইয়ে নেমে ভালোই সাড়া পাচ্ছি।’ তিনি জানান, দমকলের ইঞ্জিন ও গাড়ি যাতে একসঙ্গে চলতে পারে তার জন্য কুলতলির রাস্তাঘাটের পরিবর্তন দরকার। এছাড়া হাসপাতালের পরিষেবাও বাড়াতে হবে। মৎসবন্দর কুলতলিতে তৈরি হলে পরিযায়ী শ্রমিকদের বাইরে যেতে হবে না। এছাড়া মৈপীঠ থেকে বারুইপুর রেলপথ হলে পরিবহণ ব্যবস্থার হাল ফিরবে। 
তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের গণেশ মণ্ডল দেওয়াল লেখা শুরু করেছেন। কর্মীদের নিয়ে বৈঠকও শুরু করে দিয়েছেন। গত বিধানসভায় ৪৩ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। এবার লিড বাড়বে বলে মনে করেন। তিনি বলেন, ‘আমার লক্ষ্য হাসপাতালে সিজার অস্ত্রোপচার শুরু করা। প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির পরিষেবার সময় বাড়িয়ে ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা হবে। কৈখালিকে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে সাজিয়েছি। তেমনই কিশোরীমোহনপুর, কেল্লা এলাকা পর্যটনকেন্দ্র হিসাবে তুলে ধরার দিকে নজর থাকবে। পাশাপাশি মৈপীঠ থেকে কলকাতা বাস পরিষেবা বৃদ্ধি করার চেষ্টা করব। দেশে সাম্প্রদায়িক শক্তি মাথাচাড়া দিচ্ছে। তা পরাস্ত করাই আমার টার্গেট। কোনো ব্যক্তি মহিলার বিরুদ্ধে লড়াই আমার নয়।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ