সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: শীত বাড়তেই হরিরামপুর গৌড়দিঘিতে পরিযায়ী পাখির ঢল। জেলার মধ্যে একটা সময় গঙ্গারামপুরের কালদিঘি, ধলদিঘি, সরণবিল, কুশমণ্ডি মহিপাল দিঘিতে ঝাঁকে ঝাঁকে পরিযায়ী পাখি দেখা যেত। মহিপাল দিঘি কচুরিপানায় বুজে থাকায় সেখানে আর পাখি আসে না। ধলদিঘি, কালদিঘিতে বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ শুরু হওয়ায় পরিযায়ী পাখিরা সেখানেও আর আসছে না বলে মনে করছেন জেলার পরিবেশবিদরা। তবে কয়েক বছর হরিরামপুরের আলতা দিঘি, গৌড় দিঘি ও মালিয়ান দিঘিতে পরিযায়ী পাখিরা নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পেয়েছে। দিঘিতে দেখা যায় বুনো হাঁস ও ফেরুজিনাস পোচার্ড জাতীয় পাখিদের।
Advertisement
দক্ষিণ দিনাজপুরের পরিবেশপ্রেমী তুহিন শুভ্র মণ্ডলের কথায়, নিরাপদ আশ্রয় ও খাদ্যের অভাব থাকার জন্য জেলার অনেক জায়গাতেই পরিযায়ী পাখিদের দেখা যাচ্ছে না। যা আমাদের ভাবাচ্ছে। তবে গৌড়দিঘি, আলতাদিঘি, মালিয়ানদিঘি এলাকায় প্রচুর ফেরুজিনাস পোচার্ড জাতীয় পাখি আসে।
কুশমণ্ডি বনদপ্তরের আধিকারিক জয়প্রকাশ রায়ের কথায়, আমরা নিয়মিত এলাকাগুলিতে নজরদারি করে থাকি। তবে বনদপ্তরের এলাকার মধ্যে পাখিরা না আসায় খাদ্যের যোগান দিতে পারি না। পরিযায়ী পাখি যাতে শিকার না করা হয়, সেদিকও নজর রাখা হয়।
কুশমণ্ডি বনদপ্তরের আধিকারিক জয়প্রকাশ রায়ের কথায়, আমরা নিয়মিত এলাকাগুলিতে নজরদারি করে থাকি। তবে বনদপ্তরের এলাকার মধ্যে পাখিরা না আসায় খাদ্যের যোগান দিতে পারি না। পরিযায়ী পাখি যাতে শিকার না করা হয়, সেদিকও নজর রাখা হয়।



