Bartaman Logo
১৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গৌড়বঙ্গে মাঘে এসে কামড় ঠান্ডার, স্লগ ওভারে খামতি পুষিয়ে দেবে শীত

গৌড়বঙ্গে মাঘে এসে কামড় ঠান্ডার, স্লগ ওভারে খামতি পুষিয়ে দেবে শীত
  • ২৪ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: মাঘ মাসের প্রথম সপ্তাহ কাটতে না কাটতেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ঠান্ডার রেশ গৌড়বঙ্গ জুড়ে। এদিন আকাশের মুখ ছিল ভার। সূর্যের আলোও ছিল টিমটিমে। ফলে শীতের অনুভূতি বেশ ভালোই বোধ করেছেন অনেকে। আগামী কয়েকদিন এমনই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকবে বলে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে সামনের সপ্তাহ থেকে ঠান্ডা বেশ খানিকটা কমবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া আধিকারিকরা। তবে শীতের এই দাপট উপভোগ করেছেন গৌড়বঙ্গবাসী।
Advertisement
দক্ষিণ দিনাজপুরেও এদিন দেখাই মিলল না রোদের। তারসঙ্গে গড়ে প্রতি ঘণ্টায় ৮ কিমি বেগে পশ্চিমি বাতাস। ফলে জেলাজুড়ে কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হল। বালুরঘাট মাঝিয়ান আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তরফে জানা গিয়েছে, এদিন জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা ক্রমশ কমছে জেলাজুড়ে। আগামী কয়েকদিন একইরকম আবহাওয়া থাকবে।  পর্যবেক্ষক সুমন সূত্রধর বলেন, এই কয়েকদিন পশ্চিমি বাতাস থাকবে বলে ঠান্ডা বেশি লাগবে। কুয়াশাও পড়বে।
উত্তর দিনাজপুরেও এদিন ছিল প্রায় একই পরিস্থিতি। ঘন কুয়াশার দাপটে  দিনভর সূর্যের মুখ দেখতে পাননি রায়গঞ্জ তথা জেলার মানুষ। কুলিক, নাগর সহ একাধিক নদী কুয়াশার দাপটে কার্যত ভ্যানিশ হয়ে গিয়েছিল।  সকালের দিয়ে কিছুক্ষণ ঝিরিঝিরি বৃষ্টিও হয়। রাস্তার ধারে, বিভিন্ন জায়গায় আগুন পোহাতে দেখা যায় অনেক মানুষজনকে। অবশ্য এর মধ্যেও খেলাধুলো ও মনিংওয়াকে ভাটা ছিল না।  জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করেছে ১৩ ডিগ্রির আশেপাশে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬ ডিগ্রি। সিকিম আবহওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, আগামী কয়েকদিন ঠান্ডার রেশ বজায় থাকবে উত্তর দিনাজপুর জেলায়।   
মালদহের আবহাওয়া দপ্তরের পদস্থ আধিকারিক তপন কুমার দাস বলেন, এদিন জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। সর্বোচ্চ ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করেছে। পাঁচদিন এই আবহাওয়া অব্যাহত থাকবে। তারপর থেকে কিছুটা কমবে ঠান্ডা। 
তবে এবার মালদহের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে নামেনি বলে জানান তিনি। তপনবাবু বলেন, এবার শৈত্যপ্রবাহ টের পাওয়া যায়নি। পশ্চিমি ঝঞ্ঝার দাপটই এরজন্য দায়ী। তাপমাত্রা আর বেশি কমার সম্ভাবনা নেই।
তবে এদিনের ঠান্ডা উপভোগ করেছেন অনেকে। ইংলিশবাজারের বাসিন্দা সুতপা ভট্টাচার্য বলেন, এবার হাড় কাঁপিয়ে দেওয়া ঠান্ডা পড়েনি। অন্যান্য বছর এমন সময় লেপের তলা থেকে বেরনো যায় না। এবার তা হয়নি। কিন্তু শীতকালে ঠান্ডা না পড়লে সমস্যা অনেক। অসুখ বিসুখ হয়। তাই শীত কিছুদিন অব্যাহত থাকুক। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ