সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: জৌলুস কম হলেও ইন্দাসের গোবিন্দপুর বাজারে একটি সরস্বতী পুজো সম্প্রীতির নজির সৃষ্টি করেছে। মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত এক যুবকের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজন করা হয়েছে পুজো। আর তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন গ্রামের সাধারণ গৃহবধূ থেকে স্কুল ও কলেজের ছাত্রীরা। দুই সম্প্রদায়ের বাসিন্দারা একত্রে বাগদেবীর আরাধনায় মাতবেন। তাই গোবিন্দপুর বাজারের ওই পুজো এককথায় অনন্য। পুজোর থিম ‘মাটির কুঁড়ে ঘরে গ্রাম্য বধূ। সেইভাবেই খড়ের তৈরি মণ্ডপ সাজানো হয়েছে।
Advertisement
পুজোর অন্যতম কর্মকর্তা শিমুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হাই বলেন, আমাদের গোবিন্দপুর বাজার হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের একাধিক গ্রামের কেন্দ্রস্থল। এখানে মুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবে হিন্দুরা অংশগ্রহণ করেন। আবার হিন্দুদের নানা দেবদেবীর পুজোয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। সেইমতো গোবিন্দপুর বাজারে আমরা এবারই প্রথম দুই সম্প্রদায়ের মানুষজন মিলে সরস্বতী পুজোর আয়োজন করেছি। প্রথম বছরে আর্থিক সঙ্কটের কারণে খুব বড়ে মাপের পুজো করতে না পারলেও আন্তরিকতায় কোনও ঘাটতি নেই। আজ রবিবার মণ্ডপে প্রতিমা চলে আসবে। দর্শনার্থীদের জন্য সেলফি জোন তৈরি করা হয়েছে।
পুজো উদ্যোক্তারা বলেন, পুজোর নানা সামগ্রী জোগাড় থেকে আরম্ভ করে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়া সমস্ত ক্ষেত্রেই দুই সম্প্রদায়ের মানুষজন অংশ নেবেন। স্থানীয় পাহাড়পুর গ্রামের বাসিন্দা রিমা কুণ্ডু, ঠাকুরানিপুষ্করিনী গ্রামের বাসিন্দা লিপিকা নন্দী, শিমুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা সোনালি সাহা বলেন, মুসলিম সম্প্রদায়ের হলেও আব্দুল হাইয়ের উদ্যোগেই সরস্বতী পুজোর আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। থিম ভাবনা থেকে শুরু করে প্রধান পৃষ্ঠপোষক তিনিই। আমরা তাতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছি। সকলে মিলে বাগদেবীর আরাধনা করব। মা সরস্বতীর কাছে সকলে মিলে সকল স্তরের মানুষ ও সমাজের মঙ্গল কামনা করব।
পুজো উদ্যোক্তারা বলেন, পুজোর নানা সামগ্রী জোগাড় থেকে আরম্ভ করে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়া সমস্ত ক্ষেত্রেই দুই সম্প্রদায়ের মানুষজন অংশ নেবেন। স্থানীয় পাহাড়পুর গ্রামের বাসিন্দা রিমা কুণ্ডু, ঠাকুরানিপুষ্করিনী গ্রামের বাসিন্দা লিপিকা নন্দী, শিমুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা সোনালি সাহা বলেন, মুসলিম সম্প্রদায়ের হলেও আব্দুল হাইয়ের উদ্যোগেই সরস্বতী পুজোর আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। থিম ভাবনা থেকে শুরু করে প্রধান পৃষ্ঠপোষক তিনিই। আমরা তাতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছি। সকলে মিলে বাগদেবীর আরাধনা করব। মা সরস্বতীর কাছে সকলে মিলে সকল স্তরের মানুষ ও সমাজের মঙ্গল কামনা করব।



