নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রমরমিয়ে চলছে পুরনো গাড়ি কাটাইয়ের কাজ। মানা হচ্ছে না সুরক্ষা বিধিও। এমনই অভিযোগ আসছে পুলিসের কাছে। অনেক ক্ষেত্রে চোরাই গাড়িও কেটে ফেলা হচ্ছে। ফলে চুরি যাওয়া অনেক গাড়ির হদিশ মিলছে না। তাই যেসব জায়গায় গাড়ি কাটাইয়ের কাজ হয়, সেখানে নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুলিস। কোন কোন সুরক্ষা বিধা মানা হচ্ছে এবং মোটর ভেহিকলস থেকে ছাড়পত্র নেওয়া হয়েছে কি না—এসব খোঁজখবর শুরু করছে তারা। কয়েকদিন আগে সিঁথিতে একটি গ্যাস ট্যাঙ্কার কাটার সময় দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত্যু হয় এক শ্রমিকের। সেখানে সুরক্ষা বিধি ঠিকমতো মানা হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। যারা ওই কাজ করছিল, তাদের গাড়ি কাটাইয়ের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স রয়েছে কি না, তা নিয়েও বিতর্ক শুরু হয়। যদিও লাইসেন্স ছিল বলেই দাবি পুলিসের।
Advertisement
সিঁথির ফুলবাগান ও বেনিয়াপুকুরের মল্লিকবাজার এলাকায় ১৫ বছরের বেশি পুরনো গাড়ি কাটাইয়ের কাজ হয়। এছাড়াও শহরের বিভিন্ন জায়গায় পুরনো গাড়ি নষ্ট করার গ্যারাজ গজিয়ে উঠেছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, কোনও গাড়ি বাতিল বলে ঘোষণা করার ক্ষমতা রয়েছে মোটর ভেহিকলস বিভাগের। যে আরটিও অফিসের পারমিট বা রেজিস্ট্রেটশন নম্বর রয়েছে গাড়িতে, সেখানেই গাড়িটি নিয়ে যেতে হয়। আরটিও অফিস গাড়িটি বাতিল বলে ঘোষণা করলে একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করে। যে এলাকায় গাড়ি কাটাই হবে, সেখানকার থানায় এই সার্টিফিকেট জমা দিতে হয়। একইসঙ্গে যে গ্যারাজে এই কাজ চলবে, তার মালিকের কাছেও এর প্রতিলিপি জমা করতে হয়। কাটাইয়ের কাজ শেষ হলে সে সংক্রান্ত নথি মোটর ভেহিকলস দপ্তরে জমা পড়ে। তবেই নতুন বাণিজ্যিক গাড়ির পারমিট মেলে।
তদন্তে উঠে আসছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই নিয়ম মানা হচ্ছে না। আরটিও অফিসের অনুমতি সংক্রান্ত সার্টিফিকেট জমা পড়ছে না থানায়। ফলে পুলিস গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে কার্যত অন্ধকারে থাকছে। গ্যারাজ কর্তৃপক্ষও পুলিসকে কিছু জানাচ্ছে না। এই সুযোগে চোরাই গাড়ি এনে তার বিভিন্ন যন্ত্রাংশ খুলে বেচে দেওয়া হচ্ছে। তাই কোথায় কোথায় এই কাজ হয়, তার তালিকা তৈরি করছে বিভিন্ন থানা। সবক’টির বৈধ অনুমোদন রয়েছে কি না, খতিয়ে দেখবেন অফিসাররা। নিয়ম না মানলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে। পাশাপাশি, এসব জায়গায় সুরক্ষা বিধি মেনে যাতে গাড়ি কাটাইয়ের কাজ হয়, তা নিশ্চিত করতে তৎপর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিসকে।
তদন্তে উঠে আসছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই নিয়ম মানা হচ্ছে না। আরটিও অফিসের অনুমতি সংক্রান্ত সার্টিফিকেট জমা পড়ছে না থানায়। ফলে পুলিস গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে কার্যত অন্ধকারে থাকছে। গ্যারাজ কর্তৃপক্ষও পুলিসকে কিছু জানাচ্ছে না। এই সুযোগে চোরাই গাড়ি এনে তার বিভিন্ন যন্ত্রাংশ খুলে বেচে দেওয়া হচ্ছে। তাই কোথায় কোথায় এই কাজ হয়, তার তালিকা তৈরি করছে বিভিন্ন থানা। সবক’টির বৈধ অনুমোদন রয়েছে কি না, খতিয়ে দেখবেন অফিসাররা। নিয়ম না মানলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে। পাশাপাশি, এসব জায়গায় সুরক্ষা বিধি মেনে যাতে গাড়ি কাটাইয়ের কাজ হয়, তা নিশ্চিত করতে তৎপর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিসকে।



