সংবাদদাতা, বোলপুর: শান্তিনিকেতনের পারুলডাঙায় নবনীতা হাজরা নামে এক যুবতীর রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় চারদিন কেটে গেলেও এখনও অধরা অভিযুক্তরা। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে মৃতার পরিবার। তাদের দাবি, আর কয়েকদিন অপেক্ষা করে মুখ্যমন্ত্রীকে বিষয়টি জানাবে তারা। মৃতার মোবাইলটি উধাও। সোমবার ফের মৃতার বাবাকে শান্তিনিকেতন থানায় ডেকে কথা বলে পুলিশ।
গত শুক্রবার সকালে খোশকদমপুর থেকে পারুলডাঙা যাওয়ার পথে মাঠের মাঝখানে নন্দরানি নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ের চত্বরে ভগ্নপ্রায় বাড়ির পাশে গাছ থেকে নবনীতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। নির্জন এলাকায় রাতে ওই যুবতী কীভাবে সেখানে পৌঁছালেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ফুলডাঙায় ভাড়াবাড়িতে একাই থাকতেন নবনীতা। পরিবারের দাবি, কাউকে বিশ্বাস করেই তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। দেহ উদ্ধারের সময় নবনীতার কানে হেডফোন লাগানো ছিল। হাত, পা ও গলায় আঘাতের চিহ্নও দেখা যায়। অথচ তাঁর মোবাইল ফোনের এখনও কোনো হদিশ মেলেনি। পরিবারের প্রশ্ন, নবনীতা আত্মহত্যা করলে মোবাইলটি কোথায় গেল? খুনের পর দেহ গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে কি না সেব্যাপারে তদন্তের দাবি তুলেছে পরিবার। মৃতার বাবা স্বপন হাজরা বলেন, পুলিশের সঙ্গে কথা হয়েছে। এখনও কেউ ধরা পড়ল না। তদন্তে আমরা সন্তুষ্ট নই। আর কয়েকদিন দেখব। তারপর মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি জানাব।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তদন্ত চলছে। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। কীভাবে দেহটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রুত এই মৃত্যু রহস্যের কিনারা হবে বলে তারা আশাবাদী।