


নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: রেলের কাঁচরাপাড়া ওয়ার্কশপে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা চক্রের চারজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ধৃতরা হলেন অশোক দাস ওরফে ভুলু, অরিন্দম ঘোষ, সৌভিক কানুনগো ও তারকনাথ বোস। তাঁরা লক্ষাধিক টাকার প্রতারণা করেছেন বলে অভিযোগ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এর মধ্যে অশোক দাস প্রথমে কংগ্রেস করতেন, পরে বিজেপিতে গিয়েছিলেন। তিনি তৃণমূলে আসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। কাঁচড়াপাড়া রেল ওয়ার্কশপের বিভিন্ন অফিসারদের নাম ভাড়িয়ে, রেলে চাকরি দেবার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে অশোক দাসের বিরুদ্ধে। বুধবার এরকমই প্রতারণা করতে গিয়ে ওয়ার্কশপের মধ্যে আরপিএফের হাতে ধরা পড়েন অশোক দাস ও তাঁর তিন সাগরেদ। ধৃতদের কাছ থেকে কাঁচরাপাড়া রেল ওয়ার্কশপের বেশ কয়েকটি ভুয়ো আইডেন্টিটি কার্ড ও বেশ কিছু ভুয়ো নথি পাওয়া গিয়েছে। আরপিএফ তাদের বীজপুর থানার পুলিসের হাতে তুলে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার বারাকপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের পাঁচদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন। এদিকে, অশোক দাসের গ্রেপ্তারির খবর কাঁচড়াপাড়ায় চাউর হতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এই বিষয়ে বারাকপুরের বিজেপির যুবনেতা বিমলেশ তিওয়ারি বলেন, অশোক দাস কিছুদিন বিজেপিতে ছিলেন, এটা ঠিক। কিন্তু এ ধরনের লোকের বিজেপিতে স্থান হয় না। তাই তিনি তৃণমূলকেই বেছে নিয়েছিলেন আবার। যদিও এ নিয়ে তৃণমূলের কাঁচরাপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান কমল অধিকারী বলেন, এক সময়ে কাঁচরাপাড়ায় কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন অশোক দাস। পরবর্তীতে তিনি বিজেপিতে গিয়েছিলেন। তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই।