Bartaman Logo
১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

প্রাক্তন মন্ত্রীই খুন করিয়েছে ছেলেকে, আদালতে বললেন বরুণ বিশ্বাসের বাবা

সোমবার আদালতে সাক্ষ্য দিলেন বরুণ বিশ্বাসের বাবা জগদীশচন্দ্র বিশ্বাস। বনগাঁ আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক ১ কোর্টের বিচারক দুর্গাশঙ্কর রানার সামনে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন বরুণ খুনের অন্যতম সাক্ষী জগদীশবাবু।

প্রাক্তন মন্ত্রীই খুন করিয়েছে ছেলেকে, আদালতে বললেন বরুণ বিশ্বাসের বাবা
  • ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: সোমবার আদালতে সাক্ষ্য দিলেন বরুণ বিশ্বাসের বাবা জগদীশচন্দ্র বিশ্বাস। বনগাঁ আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক ১ কোর্টের বিচারক দুর্গাশঙ্কর রানার সামনে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন বরুণ খুনের অন্যতম সাক্ষী জগদীশবাবু। সরাসরি আঙুল তুললেন প্রাক্তন মন্ত্রীর দিকে। ২০১২ সালের ৫ জুলাই গোবরডাঙা স্টেশনের কাছে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন কলকাতা মিত্র ইনস্টিটিউশনের শিক্ষক সুটিয়া প্রতিবাদী মঞ্চের সদস্য বরুণ বিশ্বাস। খুনের পর বেশ কয়েকজন গ্রেপ্তার হলেও পরিবারের দাবি, বরুণ খুনের মূল মাথা এখনও অধরা। বার বার পরিবারের পক্ষ থেকে বরুণের বাবার সাক্ষ্য নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। সোমবার তাঁর সাক্ষ্য গ্রহণ হওয়ায় খুশি পরিবার।

Advertisement

এদিন আদালতে বিচারকের সামনে বসে সাক্ষ্য দেন ৯২ বছরের জগদীশবাবু। তিনি বিচারককে বলেন, ২০১২ সালের ৫ জুলাই বৃহস্পতিবার আমার ছোটো ছেলে বরুণকে খুন করা হয়েছিল। রাজ্যের প্রাক্তন এক মন্ত্রীর নাম করে তিনি বলেন, ওই টিএমসি নেতা টাকা দিয়ে ভাড়াটে খুনি এনে ছেলেকে খুন করিয়েছে। আমি ছেলের সকল খুনিদের শাস্তি চাই। বিচারকের সামনে জগদীশ বিশ্বাস দাবি করেন, অতীতে বার বার তাঁকে বলতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এই কেসে সরকার পক্ষের বিশেষ আইনজীবী দেবরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আজ বরুণের বাবা সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি বিচারককে বেশ কিছু কথা বলেছেন। রাজ্যের এক প্রাক্তন মন্ত্রী এই খুনে জড়িত বলে জানিয়েছেন তিনি। পরিবারের পক্ষের আইনজীবী দীপাঞ্জয় দত্ত বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে বরুণের বাবার সাক্ষ্য চেয়েছিলাম। আজ তাঁর সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে আমরা খুশি। দাদা অসিত বিশ্বাস বলেন, বাবার সাক্ষ্য হওয়ায় আমরা খুশি। আসামি পক্ষের আইনজীবী নির্মাল্য সাহা বলেন, বরুণের বাবা আগে আদালতে এলেও তাঁর সাক্ষ্য গ্রহণ হয়নি। আমরা চেয়েছিলাম উনি সাক্ষ্য দিক। আজ তাঁর সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ