Bartaman Logo
১৭ জুলাই, ২০২৬

রেলের নির্ধারিত দামে মিলবে খাবার ও জল, ২৫ দূরপাল্লার ট্রেনে শুরু ই-প্যান্ট্রি পরিষেবা

রেলে এবার ই-প্যান্ট্রি সার্ভিস চালু করছে আইআরসিটিসি। অর্থাৎ, টিকিট মূল্যে ধরা থাকছে না খাবারের দাম। অথচ বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

রেলের নির্ধারিত দামে মিলবে খাবার ও জল, ২৫ দূরপাল্লার ট্রেনে শুরু ই-প্যান্ট্রি পরিষেবা
  • ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: রেলে এবার ই-প্যান্ট্রি সার্ভিস চালু করছে আইআরসিটিসি। অর্থাৎ, টিকিট মূল্যে ধরা থাকছে না খাবারের দাম। অথচ বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। আবার ইতিমধ্যেই চালু রেলের ই-কেটারিং পরিষেবায় বেশি দামে বাইরের রেস্তরাঁ থেকে পছন্দসই অন-বোর্ড খাবার অর্ডার করাতেও গররাজি। এহেন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট রেল যাত্রীদের মুশকিল আসান হতে পারে রেলের এই নয়া ই-প্যান্ট্রি পরিষেবা। কারণ এক্ষেত্রে রেলেরই নির্ধারিত দামে ‘স্ট্যান্ডার্ড মিল’ পাওয়া যাবে। এমনকি এই বিশেষ ব্যবস্থায় এবার থেকে অর্ডার করা যাবে শুধুমাত্র রেল নির জলের বোতলও। আইআরসিটিসির ওয়েবসাইট থেকে টিকিট বুকিংয়ের সময়ই এসংক্রান্ত বিকল্প পাবেন যাত্রীরা। রেল জানিয়েছে যে, কনফার্মড টিকিট থাকা যাত্রীরা তো বটেই। এমনকি আরএসি এবং আংশিক কনফার্মড থাকা পিএনআরের যাত্রীরাও প্রয়োজনমতো এই পরিষেবা বাছতে পারবেন। 

Advertisement

সোমবার রেলমন্ত্রক জানিয়েছে, দেশের ২৫টি দূরপাল্লার মেল, এক্সপ্রেস ট্রেনে আপাতত এই পরিষেবা শুরু  হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলারও দু’টি রুট। আজমের-শিয়ালদহ সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস এবং পুনে-হাওড়া আজাদ হিন্দ এক্সপ্রেস। জানা যাচ্ছে যে, টিকিট বুকিংয়ের সময় ই-প্যান্ট্রি পরিষেবা বাছাই করলে সংশ্লিষ্ট রেল যাত্রী তাঁর মোবাইল এবং ইমেলে একটি ‘মিল ভেরিফিকেশন কোড’ পাবেন। ট্রেনে জার্নির সময় এব্যাপারে দায়িত্বপ্রাপ্ত রেল কর্মীকে ওই কোড দেখাতে হবে। একইসঙ্গে রেল জানিয়েছে যে, যদি কোনো কারণে যাত্রী বুকিং বাতিল করেন কিংবা তিনি খাবার না পান, তাহলে পুরো টাকা তাঁকে ফেরত দেওয়া হবে। রিফান্ড সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য তিনি ইমেল, এসএমএস এবং হোয়াটসঅ্যাপে পাবেন। সাধারণ রেল যাত্রীদের সকলেই যে প্রিমিয়াম ট্রেনে সফর করেন, এমন মোটেও নয়। বরং দেশের একটি বড় অংশের মানুষই সাধারণ দূরপাল্লার ট্রেনে চেপে যাতায়াত করেন। সেইসব ট্রেনে টিকিটের দামের সঙ্গে খাবারের মূল্য ধরা থাকে না। আলাদাভাবে কিনে খেতে হয় যাত্রীদের। যাত্রীদের একটি অংশের অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রেই তাঁদের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্যের থেকে বেশি দামে খাবার বিক্রি করা হয়। সবথেকে বেশি অভিযোগ ওঠে রেল নির জলের বোতলের ক্ষেত্রে। রেলমন্ত্রক জানিয়েছে, যাত্রীরা যদি ই-প্যান্ট্রি পরিষেবা গ্রহণ করেন তাহলে ‘ওভারচার্জিং’য়ের কোনো সমস্যা থাকবে না। নির্ধারিত দামেই মিলবে খাবার। বন্ধ হবে অসাধু ব্যবসায়ীদের এসংক্রান্ত কারবারও।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ