সংবাদদাতা, বোলপুর: বিশ্বকর্মা পুজোর আগে ফুলের বাজারে আগুন। বোলপুরে লাফিয়ে বেড়েছে রজনীগন্ধা ও গাঁদার দাম। ব্যবসায়ীদের দাবি, আগে এমন দাম উঠতে দেখেননি তাঁরা। বৃষ্টির জেরে ফুলের জোগান কমেছে। তার উপর পুজোর চাহিদা। সব মিলিয়ে বাজার চড়েছে।
সংবাদদাতা, বোলপুর: বিশ্বকর্মা পুজোর আগে ফুলের বাজারে আগুন। বোলপুরে লাফিয়ে বেড়েছে রজনীগন্ধা ও গাঁদার দাম। ব্যবসায়ীদের দাবি, আগে এমন দাম উঠতে দেখেননি তাঁরা। বৃষ্টির জেরে ফুলের জোগান কমেছে। তার উপর পুজোর চাহিদা। সব মিলিয়ে বাজার চড়েছে।
বীরভূমের বোলপুর, সিউড়ি সহ বিভিন্ন বাজারে মূলত নদীয়া থেকে ফুল আসে। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানেও এবার ফুলের দাম বেশি। ফলে পরিবহণ খরচ যোগ হয়ে বোলপুরের বাজারে তার প্রভাব পড়েছে। পুজোর আগে গত কয়েক দিন ধরেই দাম বাড়ছে। বোলপুরের চৌরাস্তা এলাকার ফুল ব্যবসায়ী সুকুমার মালাকার বলেন, এতদিন ফুলের ব্যবসা করছি। এমন চড়া দাম আগে দেখিনি। গত বছর যে রজনীগন্ধা ৫০০-৬০০ টাকা কেজি দরে কিনেছি, এবার সেটাই হাজার টাকা কেজি। গাঁদার দামও বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের হিসাবে, ২০ পিস গাঁদাফুলের মালা কিনতেই এখন প্রায় ১২০০ টাকা লাগছে। গতবারের তুলনায় দাম প্রায় দ্বিগুণ। বৃষ্টির কারণেই ফুলের জোগানে টান পড়েছে বলে তাঁদের দাবি। তবে দুর্গা পুজোর সময়ে বাজারে দাম কিছুটা কমবে কি না, তা নিয়ে নিশ্চিত নন ব্যবসায়ীরা। বরং চাহিদা বাড়লে দাম আরও বাড়ার আশঙ্কাও করছেন তাঁরা।
ফুলের দাম বাড়ায় এবার প্লাস্টিকের ফুলের মালার চাহিদাও বেড়েছে। বিশ্বকর্মা পুজোয় সাইকেল, মোটরবাইক, গাড়ি ও দোকান সাজানোর রেওয়াজ রয়েছে। সেই সাজে আসল ফুলের পাশাপাশি প্লাস্টিকের ফুলও ব্যবহার করেন অনেকে। বোলপুরের চৌরাস্তা, চিত্রা মোড়, জামবুনি বাসস্ট্যান্ড সহ বিভিন্ন এলাকায় বসেছে প্লাস্টিক ফুলের দোকান। কোথাও দোকানে, কোথাও আবার রাস্তার পাশে ঘুরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ী অমিতাভ চন্দ্র বলেন, এই ফুলগুলি কলকাতা থেকে আসে। পাঁচ টাকা থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের মালা রয়েছে। দু’দিন আগে থেকেই ক্রেতারা আসছেন। এবার বাজার ভাল হবে বলে আশা করছি। গত বছর বৃষ্টির কারণে বিক্রি মার খেয়েছিল। এবার পুজোর সময় আবহাওয়া কেমন থাকে, তার উপরেও অনেকটাই নির্ভর করছে ফুল ও সাজসজ্জার বাজার। -নিজস্ব চিত্র