


ইসলামাবাদ: এজলাসে বসে একের পর এক মামলার রায় দিয়েছেন। শাস্তি দিয়েছেন প্রতারনা মামলায় অভিযুক্তদেরও। সেই বিচারপতি নিজেই প্রতারক! ইসলামাবাদ হাইকোর্টের এই ঘটনা সামনে আসতেই রীতিমতো চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সোমবার ওই বিচারপতিকে সরিয়ে দিয়েছে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট। অভিযুক্তর নাম তারিক মাহমুদ জাহাঙ্গিরি। ২০২০ সালে বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ করা হয় তাঁকে। যদিও বছর পাঁচেক পর গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে যাবতীয় বিচারবিভাগীয় কার্যকলাপের দায়িত্ব থেকে দূরে রাখা হয়েছিল তাঁকে। হাইকোর্ট জানিয়েছে, করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ওই বিচারপতির আইনের ডিগ্রি ভুয়ো। আদালতের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৮৮ সালে ভুয়ো এনরোলমেন্ট নম্বর নিয়ে প্রবেশিকা পরীক্ষায় বসেছিলেন জাহাঙ্গিরি। টুকলি করতে গিয়ে হাতে নাতে ধরা পড়ায় ১৯৮৯ সালে তিন বছরের জন্য তাঁকে নিষিদ্ধ করা হয়। পরের বছর তারিক জাহাঙ্গিরি নামে ফের পরীক্ষায় বসেন তিনি। ব্যবহার করেছিলেন ইমতিয়াজ আহমেদ নামের এক পড়ুয়ার এনরোলমেন্ট নম্বর। ইসলামিয়া ল কলেজের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভুয়ো নাম নিয়ে প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাশ করলেও তিনি কোনোদিন কলেজে ভরতিই হননি। আদালত জানিয়েছে, বারবার আসল নথি পেশ করতে হলেও অভিযুক্ত তা করেননি।