Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দীর্ঘদিন পর জালে ঝাঁকে ঝাঁকে পারা মাছ, উচ্ছ্বসিত সাগরের মৎস্যজীবীরা

মাথা ও লেজের দিকে হলুদ আভা। শরীরের বাকি অংশে রুপোলি ও কালোর মিশ্রণ। গায়ের চামড়া অন্যান্য মাছের তুলনায় মোটা। ভারতীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরজুড়ে এ মাছের যাতায়াত।

দীর্ঘদিন পর জালে ঝাঁকে ঝাঁকে পারা মাছ, উচ্ছ্বসিত সাগরের মৎস্যজীবীরা
  • ১০ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মাথা ও লেজের দিকে হলুদ আভা। শরীরের বাকি অংশে রুপোলি ও কালোর মিশ্রণ। গায়ের চামড়া অন্যান্য মাছের তুলনায় মোটা। ভারতীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরজুড়ে এ মাছের যাতায়াত। তবে ডিম পাড়তে মোহনায় ঢোকে। মাছটির নাম পারা। বহুদিন বাদে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ল জালে। কাকদ্বীপ, নামখানা ও সাগরের মৎস্যজীবীদের বক্তব্য, ভেটকির বিকল্প হিসেবে পরিচিত পারা মাছ। ছোটখাট হোটেল ও রেস্তরাঁর ব্যবসায়ীরা এ দিয়ে ফিশ ফ্রাই-ফিঙ্গার ইত্যাদি তৈরি করেন। দাম তুলনামুলকভাবে কম বলে স্থানীয় বাজারে চাহিদা বেশি। 

Advertisement

এতদিন কোথায় ছিল পারা? মৎস্যজীবীদের মতে, ছোট অবস্থায় যথেচ্ছ মাছ শিকার হয়ে যাচ্ছে। হয়ত সে জন্যই এই মাছ আকারে বড় হওয়ার সুযোগ পায়নি। তবে এবার অন্য পরিস্থিতি। অন্য কোথাও ডিম পেড়েছে। তাই বড় হওয়ার পরই ঝাঁক বেঁধে চলে এসেছে। বেশি গভীরে না গিয়ে মাছ ধরা পড়ছে জালে। দু’মাসে প্রায় ২০০ টন পারা মাছ উঠেছে। কাকদ্বীপ মৎস্যজীবী উন্নয়ন সমিতির সম্পাদক বিজন মাইতি বলেন, ‘প্রায় দেড়-দু’বছর এই মাছ আমরা সেভাবে দেখিনি। এ বছর জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে প্রচুর পরিমাণে ধরা পড়ছে। তা দেখে আমাদেরও একটু অবাক লাগছে।’ দীর্ঘদিন পর ধরতে পেরে খুশি মৎস্যজীবীরা। এবার বাড়তি লাভ হবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী ও মৎস্যজীবীরা।

সম্পর্কিত সংবাদ