সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: শ্রাবণ মাসের প্রথম সোমবার তারকেশ্বরে লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হয়েছে। রবিবার থেকেই ভক্তরা আসতে শুরু করেছেন তারকেশ্বরে। এদিন এতটাই ভিড় হয়েছিল যে, মন্দিরে জল ঢালার লাইন দু’ কিলোমিটার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তীর্থযাত্রীদের সুবিধার্থে বৈদ্যবাটি থেকে তারকেশ্বর পর্যন্ত গোটা রাস্তা রবিবার ও সোমবার যানবাহনের জন্য নো এন্ট্রি করেছিল প্রশাসন। চারচাকার গাড়ি চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। বহু স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা পুণ্যার্থীদের জল, খাবার ও চিকিৎসা পরিষেবা বিনামূল্যে দিয়ে থাকে। শ্রাবণী মেলাকে কেন্দ্র করে বৈদ্যবাটির নিমাইতীর্থ ঘাট থেকে তারকেশ্বর পর্যন্ত ছোটো-বড়ো বহু অস্থায়ী দোকান তৈরি হয়েছে। এই সময় পুণ্যার্থীরা মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারেন না। চোঙার মাধ্যমে জল ঢালতে হয় শিবের মাথায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুণ্যার্থীর কথায়, প্রতি বছর এই সময় তারকেশ্বর মন্দিরে পুজো দিতে আসি। এবছর দেখছি, নতুন করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে তারকেশ্বরকে। ভেবেছিলাম, প্রচণ্ড ভিড়ে পুজো দিতে কষ্ট হবে। কিন্তু প্রশাসন যে ব্যবস্থাপনা করেছে, তাতে কাউকেই অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে না। গরমে একটু কষ্ট হচ্ছে, এই যা। মেলা উপলক্ষ্যে অতিরিক্ত পুলিশের ব্যবস্থা করেছে হুগলি গ্রামীণ পুলিশ। তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতাল ছাড়াও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ৩০ শয্যার একটি অস্থায়ী সেবাকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে।



