Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গ্রিনসিটি প্রকল্পে আর্থিক তছরুপ, ২ পুরকর্মী ধৃত

গ্রিনসিটি প্রকল্পে আর্থিক তছরুপের অভিযোগে সরগরম হয়ে উঠেছে আরামবাগ। পুরসভার বর্তমান চেয়ারম্যান তৃণমূল কংগ্রেসের সমীর ভাণ্ডারি গ্রিন সিটিতে অনিয়ম নিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

গ্রিনসিটি প্রকল্পে আর্থিক তছরুপ, ২ পুরকর্মী ধৃত
  • ২৮ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: গ্রিনসিটি প্রকল্পে আর্থিক তছরুপের অভিযোগে সরগরম হয়ে উঠেছে আরামবাগ। পুরসভার বর্তমান চেয়ারম্যান তৃণমূল কংগ্রেসের সমীর ভাণ্ডারি গ্রিন সিটিতে অনিয়ম নিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তার ভিত্তিতে বুধবার পুরসভার কর্মী সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে আরামবাগ থানার পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা হল আরামবাগ পুরসভার প্রাক্তন সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার মানস কুণ্ডু, আরামবাগ পুরসভার বিদ্যুৎ বিভাগের সুপার ভাইজার পুরাতন বাজারের বাসিন্দা কৌস্তভ মুখোপাধ্যায় ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার সংস্থার কর্তা স্বরভানু ঘোষ। পুলিশের দাবি, তিনজনের নাম এফআইআরে রয়েছে। সরকারি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে খোদ আরামবাগ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান স্বপন নন্দীর বিরুদ্ধেও, যা নিয়ে শহরজুড়ে ব্যাপক চর্চা চলছে।

Advertisement

হুগলির পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজ বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত করা হয়। কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তারসঙ্গে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের আজ, বৃহস্পতিবার আদালতে তোলা হবে।
আরামবাগ পুরসভায় গ্রিনসিটি প্রকল্পে বিদ্যুতের খরচ কমাতে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল বসানো হয়েছিল। তখন আরামবাগ পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন স্বপন নন্দী। স্বপনবাবু বর্তমানে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার রয়েছেন। পাশাপাশি তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক। তাঁর বিরুদ্ধেও টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ হয়েছে। বর্তমান পুর বোর্ডের চেয়ারম্যান সমীরবাবু বলেন, গ্রিনসিটি প্রকল্পে প্রাক্তন পুর বোর্ড ৩৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু শিক্ষা কেন্দ্র ও ১১টি অপার প্রাইমারি স্কুলের ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর বরাত দেয়। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর ওই সোলার প্যানেল নিয়ে কিছু বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে অভিযোগ পাই। তারা জানায়, সোলার প্যানেলগুলি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে না। পাশাপাশি ছাদে সেগুলি বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর তথ্য যাচাই করা হয়। অনিয়ম হয়েছে সন্দেহে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানাই। রাজ্যের অ্যাকাউন্টেন্ট জেনারেলের তরফে তদন্ত করা হয়। তারা অনিয়মের রিপোর্ট দিলে থানায় অভিযোগ জানানোর নির্দেশ দেয়। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ