Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

যুদ্ধের জেরে সমুদ্রের নীচে কেবল নিয়ে বাড়ছে আতঙ্ক, ইন্টারনেট পরিষেবায় বিপর্যয়ের শঙ্কা!

ইরানের হামলার মুখে অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী। একইভাবে তেহরানের সাহায্যপ্রাপ্ত ইয়েমেনের সংগঠন হুথি হামলা চালাচ্ছে লোহিত সাগরে। ফলে সেখানেও বাব এল-মান্দেব প্রণালী বিপদের মুখে

যুদ্ধের জেরে সমুদ্রের নীচে কেবল নিয়ে বাড়ছে আতঙ্ক, ইন্টারনেট পরিষেবায় বিপর্যয়ের শঙ্কা!
  • ২০ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: ইরানের হামলার মুখে অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী। একইভাবে তেহরানের সাহায্যপ্রাপ্ত ইয়েমেনের সংগঠন হুথি হামলা চালাচ্ছে লোহিত সাগরে। ফলে সেখানেও বাব এল-মান্দেব প্রণালী বিপদের মুখে। পশ্চিম এশিয়ার এই দুই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্ররুট দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ ও জাহাজ চলাচল ইতিমধ্যেই বিপর্যস্ত। এখনও যুদ্ধ শেষের কোনো দিশা নজরে না আসায় এবার নয়া বিপদের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। হরমুজ ও বাব এল-মান্দেব প্রণালীতে সমুদ্রের নীচে দিয়ে রয়েছে বহু ফাইবার-অপটিক কেবল। যুদ্ধের আবহে যদি সেইসব কেবল ইচ্ছাকৃতভাবে কেটে দেওয়া হয়, বা দুর্ঘটনাবশত ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে বিশ্বজুড়ে মুখ থুবড়ে পড়বে ইন্টারনেট সংযোগ। বিপর্যস্ত হতে পারে ভারতের ইন্টারনেট পরিষেবাও। বন্ধ হয়ে যেতে পারে ভিডিও কল থেকে ইমেল, ব্যাংকিং ট্রান্সফার থেকে এআই সার্ভিস।

Advertisement

লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালীর নীচে সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে গিয়েছে অন্তত ২০টি কেবল। ক্যাপাসিটি গ্লোবাল জানাচ্ছে, লোহিত সাগরের নীচে রয়েছে ১৭টি। এগুলি হল ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার ইন্টারনেট ট্রাফিক লিঙ্ক। আবার টেলিজিওগ্রাফির তথ্য বলছে, পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালীর নীচে দিয়ে গিয়েছে এএই-১, ফ্যালকন, গাল্ফ ব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল কেবল সিস্টেম ও টাটা-টিজিএন গাল্ফ-এর মতো কেবলগুলি। এগুলির উপর ভারতের আন্তর্জাতিক ডেটা কানেকশন সরাসরি নির্ভরশীল। অ্যামাজন, মাইক্রোসফ্ট ও গুগলের মতো বৃহৎ প্রযুক্তি সংস্থাগুলি সৌদি আরব ও আমিরশাহির মতো উপসাগরীয় দেশগুলিতে বহু কোটি ডলার খরচ করে গড়ে তুলেছে বড়ো বড়ো ডেটা সেন্টার। সেখানে বৃহৎ এআই সেন্টার গড়ে তোলারও পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। এই অবস্থায় দুই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় জলের নীচে থাকা কেবলগুলি নিয়ে আশঙ্কা বাড়ছে। সমুদ্রের নীচে কোনো দুর্ঘটনা, মাইন বিস্ফোরণ বা ইচ্ছাকৃতভাবে কেবল কেটে দেওয়া হলে বর্তমান পরিস্থিতিতে কয়েক সপ্তাহ এমনকি বেশ কয়েক মাস পর্যন্ত অচল হয়ে পড়তে পারে ইন্টারনেট পরিষেবা। টেলিজিওগ্রাফির আলান মাউলদিন ব্লুমবার্গকে বলেছেন, ‘ওই অঞ্চলে সক্রিয় সামরিক অভিযান চলছে। ফলে ঝুঁকির কারণে কেবল শিপ সেখানে কাজ করতে যাবে না।’ স্বাভাবিকভাবেই ইন্টারনেট পরিষেবা ঘিরে আশঙ্কা বাড়ছে। -ফাইল চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ