নয়াদিল্লি: আর্থিক প্রতারণার জেরে সাধারণ মানুষের খোওয়া যাওয়া অর্থ উদ্ধারে ভারতের আইনি প্রক্রিয়া অত্যন্ত কার্যকরী। এই ভাষাতেই নয়াদিল্লির প্রশংসা করল দ্য ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (এফএটিএফ)। বিশ্বব্যাপী আর্থিক প্রতারণা প্রতিরোধ ও জঙ্গিদের আর্থিক মদত ঠেকাতে কাজ করে সংস্থা। সম্প্রতি ‘অ্যাসেট রিকভারি গাইডেন্স অ্যান্ড বেস্ট প্র্যাকটিসেস’ নামে ৩৪০ পাতার একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে কেন্দ্রীয় এজেন্সি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-র তদন্তের কথা তুলে ধরেছে ওই আন্তর্জাতিক সংস্থা। তারা জানিয়েছে, একটি আর্থিক তছরূপ মামলায় বিপুল পরিমাণ জমি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। তাতে নতুন বিমানবন্দর তৈরি হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের বিশেষ উপকার হবে।
ওই রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে ইডি। তাতে তারা এফএটিএফের বক্তব্য তুলে ধরেছে। সেখানে বলা হয়েছে, আর্থিক প্রতারণার তদন্তে চিহ্নিতকরণ, বেআইনি অর্থ ও সম্পত্তির খোঁজ, তা বাজেয়াপ্ত করা থেকে শুরু করে প্রতারিতদের আমানত ফেরতের সঠিক প্রক্রিয়া রয়েছে। আইনি দিক থেকেও তা অত্যন্ত গোছানো ও প্রযুক্তিগতভাবে সমৃদ্ধ। আর্থিক তছরূপ বিরোধী আইন রূপায়ণে অন্যান্য দেশের কাছে ভারতের এই ব্যবস্থাপনাকে মডেল হিসেবে তুলে ধরেছে এফএটিএফ। তাদের বক্তব্য, যেভাবে বিভিন্ন সংস্থা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় রেখে কাজ করে, তা সত্যিই প্রশংসাযোগ্য।
রিপোর্টে একাধিক আর্থিক অপরাধের কথা বললেও সেগুলির ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানায়নি ওই আন্তর্জাতিক সংগঠন। তবে সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, চিটফান্ড কেলেঙ্কারি, মাদক পাচার, সমবায় দুর্নীতির তদন্ত ও সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও সম্পত্তি উদ্ধারের কথা উল্লেখ করেছে এফএটিএফ।