


পুরী: এককথায় চরম অব্যবস্থা। পুরীর গুণ্ডিজা মন্দিরে পদপিষ্টের ঘটনার পর প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানে উঠে এসেছে এমনই তত্ত্ব। দুর্ঘটনায় স্ত্রীকে হারিয়েছেন এক ব্যক্তি। চোখের সামনে এমন অব্যবস্থা দেখে ক্ষুব্ধ তিনি। স্ত্রীকে হারানোর শোক সামলে বলেন, ঘটনার সময় কারও সাড়া পাওয়া যায়নি। দমকল, উদ্ধাকারী টিম বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোথাও কোনও সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। এরকম একটা দুঃখজনক ঘটনাকে ভাষায় বর্ণনা করা যায় না। আর এক পুণ্যার্থী বলেছেন, কোথাও কোনও পুলিসি নিরাপত্তা ছিল না। শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির কারও দেখা মেলেনি। দুর্ঘটনায় প্রথমে খোঁজ মিলছিল না ওই ব্যক্তির ভাইপোর। পরে জানা যায় জখমদের তালিকাতে তাঁর ভাইপোও রয়েছে। তিনি বলছিলেন, আমি ইনফরমেশন সেন্টারে গিয়ে অব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে বলা হয়, এখান থেকে চলে যান। পদপিষ্টে এক আত্মীয়কে হারানো পুণ্যার্থীও বলেছেন, প্রশাসনিক গাফিলতিতেই আমাদের আনন্দ হঠাৎ করেই বিষাদে
পরিণত হল। দুর্ঘটনার সময় কোথাও পুলিস চোখে পড়েনি। সাধারণ
মানুষই একে অপরের সাহায্যে এগিয়ে আসে। কিন্তু আমার দুর্ভাগ্য, আমি শ্যলিকাকে হারিয়েছি। পুলিস অবশ্য এইসব অভিযোগ মানতে নারাজ। তারা সাফ জানিয়েছে পর্যাপ্ত পুলিস ঘটনাস্থলে ছিল।