Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকায় ‘লক্ষ্মীলাভ’ অভিষেকের জনসভা ঘিরে বাড়তি রোজগার

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা এবার সত্যিই এনে দিল ‘লক্ষ্মী’।

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকায় ‘লক্ষ্মীলাভ’ অভিষেকের জনসভা ঘিরে বাড়তি রোজগার
  • ২৭ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

উজ্জ্বল রায়, ধূপগুড়ি: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা এবার সত্যিই এনে দিল ‘লক্ষ্মী’। বৃহস্পতিবার ধূপগুড়ির ফণীরমাঠে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভা ঘিরে সেই ছবিই ধরা পড়ল। সভাস্থলের চারপাশে তৈরি হয় একপ্রকার অস্থায়ী মেলার পরিবেশ। দূরদূরান্ত থেকে আসা তৃণমূল সমর্থকদের ভিড়ে জমে ওঠে খাবারের দোকান, অস্থায়ী হোটেল এবং চায়ের স্টল। আর সেই ভিড়কেই কাজে লাগিয়ে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকায় ছোট উদ্যোগ শুরু করে লাভের মুখ দেখলেন এলাকার কিছু মহিলা। 

Advertisement

মমতা রায়, ভগবতী রায়, মামনি রায়, কেয়া রায় জানান, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প থেকে পাওয়া টাকা জমিয়েই তাঁরা সভার দিন অস্থায়ী ভাতের হোটেল খোলার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁদের কথায়, এত মানুষের সমাগম হবে তা আন্দাজ করতে পারেননি। দুপুর বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দূরদূরান্ত থেকে আসা তৃণমূল সমর্থকদের ভিড়ে তাঁদের হোটেলে বসার জায়গা পর্যন্ত কম পড়ে যায়। একের পর এক ভাতের থালা পরিবেশন করতে করতে হাঁপিয়ে যান তাঁরা। দিনের শেষে হিসেব কষে দেখেন, খরচ বাদ দিয়েও ভালো লাভ হয়েছে। তাঁদের দাবি, সংসারের খরচ সামলাতে এই অতিরিক্ত আয় যথেষ্ট সহায়ক হবে। 
ঠিক পাশেই আর এক সাফল্যের গল্প ধনবালা রায়ের। নিজের বাড়ির সামনে ছোট চপ-সিঙারার দোকান খুলে তিনিও ভিড়ের সুযোগে রোজগার করেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পনেরোশো টাকা এবং বাড়ির কিছু সঞ্চয় মিলিয়ে মোট আড়াই হাজার টাকা বিনিয়োগ করে দোকান শুরু করেন। ধনবালার কথায়, এত ভিড় হয়েছিল যে সবাইকে সিঙারা দিতে পারিনি। খরচ বাদ দিয়েও প্রায় চার হাজার টাকা আয় হয়েছে। 
সভা শেষ হওয়ার পর মঞ্চ গুটিয়ে নেওয়া হয়, বন্ধ হয় স্লোগান। তবে ধূপগুড়ির কয়েকটি বাড়িতে রয়ে যায় অন্যরকম উৎসবের আবহ। রাজনৈতিক জনসমাবেশের ভিড় সেখানে শুধু সমর্থনের ছবিই আঁকেনি, তুলে ধরেছে স্বনির্ভরতার এক ছোট অথচ বাস্তব গল্পও। • ধূপগুড়িতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনি সভা। - নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ