নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: মুদির দোকানে খরিদ্দার সেজে ঢুকে তোলাবাজির অভিযোগ উঠল একদল দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। দোকান মালিক তাদের টাকা দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে ও তাঁর ছেলেকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। বাধা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন স্থানীয় মহিলারাও। বৃহস্পতিবার রাতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় ডোমজুড়ের বাঁকড়া পশ্চিমপাড়ায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র্যাফ। এই ঘটনায় দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডোমজুড় থানার পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে একদল দুষ্কৃতী খরিদ্দার সেজে ওই মুদির দোকানে আসে। প্রথমে দেশলাই কিনতে চায় তারা। অভিযোগ, এরপরই দোকান মালিকের কাছে টাকা দাবি করে। তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করলে শুরু হয় মারধর। দোকান মালিকের পাশাপাশি তাঁর ছেলেকেও বেধড়ক পেটানো হয়। তাঁদের বাঁচাতে এগিয়ে এলে কয়েকজন মহিলাকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় এক মহিলা সহ অন্তত তিনজন আহত হন। তাঁদের ডোমজুড় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসার পর থানায় অভিযোগ জানাতে যাওয়ার সময়ও রেহাই মেলেনি আক্রান্তদের। রাস্তা আটকে ফের তাঁদের মারধর করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ডোমজুড় থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র্যাফ। এলাকায় হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। পরে চাপা উত্তেজনা থাকায় পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়।
আক্রান্ত ব্যবসায়ী বিকাশ সাউয়ের অভিযোগ, তৃণমূল আমলে দুষ্কৃতীরা এলাকায় দেদার তোলাবাজি করত। টাকা না দিলে মারধর করত তারা। সরকার বদলের পর ফের রং বদলে তারাই আবার তোলাবাজি শুরু করেছে। এমনকি, থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়েও হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে আক্রান্ত ব্যবসায়ীকে। ঘটনাস্থলে পুলিশ। -নিজস্ব চিত্র



