Bartaman Logo
২৫ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

কাতারে গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্রে বিস্ফোরণ, মৃত ১২ ভারতীয়

বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কাতারের শিল্পনগরী রাস লাফন। এখানেই রয়েছে সেদেশের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন এবং রপ্তানি কেন্দ্র।

কাতারে গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্রে  বিস্ফোরণ, মৃত ১২ ভারতীয়
  • ২৩ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

দোহা: বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কাতারের শিল্পনগরী রাস লাফন। এখানেই রয়েছে সেদেশের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন এবং রপ্তানি কেন্দ্র। রবিবার রাতের সেই বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে ১২ জন ভারতীয় সহ অন্তত ১৩ জনের। মৃতদের প্রত্যেকেই ওই প্লান্টের কর্মী ছিলেন। এছাড়াও জখম হয়েছেন ৬৬ জন। তবে তাঁদের আঘাত গুরুতর নয়। কাতারে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস ১২ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। এক্স হ্যান্ডলে দূতাবাস জানিয়েছে, কাতারের প্রশাসনের যোগাযোগ রেখে চলা হচ্ছে। নিহত ভারতীয়দের পরিবারকে সবরকম সাহায্য করা হচ্ছে। মৃতদের দেহ যাতে দ্রুত দেশে ফেরানো যায় সেই বিষয়েও উদ্যোগী হয়েছে ভারতীয় দূতাবাস।

Advertisement

কাতারের শক্তিমন্ত্রী সাদ আল-কাবি এই বিস্ফোরণের সঙ্গে নাশকতার যোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। প্রশাসনের তরফে প্রথমে এই ঘটনাকে ‘অভ্যন্তরীণ বিস্ফোরণ’ বলা হয়। পরে জানানো হয়, প্রযুক্তিগত বিভ্রাটের জেরেই এই দুর্ঘটনা। রাস লাফনের পুরো শিল্পতালুকের দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা কাতার এনার্জি। তারা জানিয়েছে, বিস্ফোরণের পরেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে তা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই দুর্ঘটনার জেরে আবার বিশ্ব বাজারে জ্বালানি গ্যাসের সমস্যা বাড়তে চলেছে। উত্তর দোহা থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে এই রাস লাফন ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি। বিশ্বের এক পঞ্চমাংশ গ্যাস সরবরাহ হত এখান থেকে। অগ্নিদগ্ধ এলএনজি উৎপাদন কেন্দ্রটির দৈনিক উৎপাদনক্ষমতা ছিল ১৪০ কোটি স্ট্যান্ডার্ড কিউবিক ফিট। তবে ২ মার্চ ইরানের হামলার পরেই উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি যখন স্বাভাবিক হওয়ার দিকে, তখন ফের উৎপাদন শুরুর তোড়জোড় শুরু হয়েছিল। তবে, রবিবারের ঘটনা রপ্তানিতে কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী সাদ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ