Bartaman Logo
৩০ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিলি! মধ্যমগ্রামে তদন্ত শুরু পুরসভার

সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে রোগীদের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দেওয়ার অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল মধ্যমগ্রামে

সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিলি! মধ্যমগ্রামে তদন্ত শুরু পুরসভার
  • ৩০ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে রোগীদের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দেওয়ার অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল মধ্যমগ্রামে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্নের মুখে পড়েছে সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার মান। তদন্তে নেমেছে মধ্যমগ্রাম পুরসভা ও স্বাস্থ্যদপ্তর। মধ্যমগ্রাম পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের পুর সুস্থাস্থ্য কেন্দ্র-১-এর বিরুদ্ধে উঠেছে এই অভিযোগ। জানা গিয়েছে, মধ্যমগ্রামের তিন নম্বর চণ্ডীগড় এলাকায় রয়েছে এই হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টার। অভিযোগ, সেখান থেকে মঙ্গলবার রোগীদের যে ওষুধ দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ‘ক্যালসিয়াম কার্বোনেট উইথ ভিটামিন ডি-৩’ ট্যাবলেটের গায়ে স্পষ্টভাবে মেয়াদ শেষের তারিখ সেখা আছে ২০২৬ সালের জুলাই। ১৫টি ওষুধ চলতি মাসেই মেয়াদ পেরিয়ে যাচ্ছে। মূলত, এই ওষুধ দেওয়া হয় অন্তঃসত্ত্বা ও প্রসূতি, বয়স্ক ব্যক্তি, হাড়ের সমস্যা বা ক্যালসিয়ামের অভাবে ভোগা রোগীদের। এছাড়াও মেয়াদোত্তীর্ণ আয়রন ও ফলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট রোগীদের দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এগুলির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। এনিয়ে হাসপাতালের দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রোগীর পরিজনরা। ঘটনার পরেই সরব হন ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার প্রিয়াঙ্কা মল্লিক। 

Advertisement

মঙ্গলবার তিনি পুরসভার চেয়ারম্যান নিমাই ঘোষের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি বলেছেন, ‘স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিতরণের বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এতে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।’ গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। পুরসভা ও স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে তদন্ত শুরু হয়েছে। মধ্যমগ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান নিমাই ঘোষ বলেন, ‘কাউন্সিলার অভিযোগ করেছেন। তদন্ত হচ্ছে।’  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ